পুজোয় ট্রেনের টিকিট পাচ্ছেন না? চিন্তা নেই। বাসে চেপেই ঘুরে আসতে পারেন ওড়িশার অফবিট জায়গাগুলো। ৪ রাত ৩ দিনে মাত্র ৮ হাজার টাকায় জমে উঠবে ছুটি।

দারিংবাড়ি
শেষ আপডেট: 11 September 2025 11:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাতেগোনা কয়েকদিন পর দুর্গাপুজো। এখন ট্রেন বা ফ্লাইটে টিকিট মেলা চাপের। এদিকে ছুটিতে ঘুরতে যাওয়া চাই। চিন্তা নেই, কলকাতা থেকে বাসে চেপেই পৌঁছে যেতে পারেন ওড়িশা। চিরাচরিত পুরী নয়, সমুদ্র, পাহাড় আর অরণ্যের মিলিত সৌন্দর্যে ভরা এই রাজ্যে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে ভিড় কম, অথচ আনন্দ অসীম।
৪ রাত ৩ দিনের ট্রিপ সহজেই করা যাবে জনপ্রতি প্রায় ৮ হাজার টাকায়।
কলকাতা থেকে ভুবনেশ্বর পর্যন্ত নানারকম ভলভো এবং প্রাইভেট স্লিপার বাস পাওয়া যায় (ভাড়া ৮০০–১২০০ টাকা)। সেখান থেকে গাড়ি ভাড়া করে বা লোকাল ট্রেন/বাস ধরে ঘুরে নেওয়া সম্ভব এই অফবিট জায়গাগুলো।

চিলকা লেক - ভুবনেশ্বর থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে। নৌকায় করে দেখা যায় পরিযায়ী পাখি, ডলফিন আর ছোট ছোট দ্বীপ। রাত কাটাতে পারেন স্যাটপাড়া বা মঙ্গলাজোড়ির হোমস্টে কিংবা রিসর্টে। বাজেট ১৫০০–২০০০ টাকা রুম প্রতি।

গোপালপুর- পুরী-ধৌলিগিরির ভিড় এড়িয়ে যেতে পারেন গোপালপুরে। সমুদ্রতট নির্জন, একেবারে শান্ত। ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। বাসে বা ট্রেনে সহজে পৌঁছনো যায়। বাজেট হোটেল মিলবে ১২০০–১৮০০ টাকায়।

ধৌলি শান্তি স্তূপ- ভুবনেশ্বর থেকে মাত্র ৮ কিমি দূরে এই শান্তি স্তূপ। সম্রাট অশোকের কলিঙ্গ যুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এই জায়গায় মিলবে ইতিহাসের গন্ধ আর প্রকৃতির শীতলতা। ঘুরতে যেতে গাড়ি ভাড়া ৮০০–১০০০ টাকাই যথেষ্ট।

কপিলাস হিলস- ঢেনকানাল জেলার এই পাহাড়ি জায়গাটি ভুবনেশ্বর থেকে প্রায় ৭০ কিমি। ছোট ছোট ঝর্না, সবুজ অরণ্য আর মন্দিরে ভরা। প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে আদর্শ। লোকাল গাড়ি বা ট্যাক্সি ভাড়া ২০০০–২৫০০ টাকায় একদিনে ঘুরে নেওয়া যায়।

মঙ্গলাজোড়ি- চিলকা লেকের উত্তরাংশে রয়েছে। এখানে পরিযায়ী পাখির সমারোহ দেখে মুগ্ধ হবেন। নৌকা সাফারি করতে খরচ হবে ১০০০–১৫০০ টাকা প্রতি জন। পরিবেশবান্ধব হোমস্টেগুলোতেও থাকা যায়।

এছাড়াও কেঁওনঝড়, দারিংবাড়ি, ভিতরকনিকাও ঘুরে আসতে পারেন। আট হাজার টাকা জনপ্রতিতে হয়ে যাবে।