Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
হরমুজ ঘিরে ফেলল মার্কিন সেনা! ইরানের 'শ্বাসরোধ' করতে ঝুঁকির মুখে আমেরিকাও, চাপে বিশ্ব অর্থনীতি'ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না', আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেফতারিতে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকেরভোটের মুখে ইডির বড় পদক্ষেপ! কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলমহাকাশে হবে ক্যানসারের চিকিৎসা! ল্যাবের সরঞ্জাম নিয়ে পাড়ি দিল নাসার ‘সিগনাস এক্সএল’সঞ্জু-রোহিতদের পেছনে ফেলে শীর্ষে অভিষেক! রেকর্ড গড়েও কেন মন খারাপ হায়দ্রাবাদ শিবিরের?আইপিএল ২০২৬-এর সূচিতে হঠাৎ বদল! নির্বাচনের কারণে এই ম্যাচের ভেন্যু বদলে দিল বিসিসিআইWest Bengal Election 2026 | হার-জিত ভাবিনা, তামান্না তো ফিরবেনা!সুস্থ সমাজ গড়াই লক্ষ্য: শহর ও মফস্বলে স্বাস্থ্য শিবিরের মাধ্যমে সাধারণের পাশে ডিসান হাসপাতালWest Bengal Election 2026 | আবেগের বশেই ‘হুমকি’ দিই শুভেন্দু ‘অপেরা’ করলে পারত!উত্তর কলকাতার অর্ধেক বুথই ‘অতি স্পর্শকাতর’, থাকছে ১০০টি মহিলা বুথও

৪ দিন অফিস, যখন খুশি কাজ! কর্মীদের স্বাধীনতায় জোর, কর্পোরেট দুনিয়ার চেনা ছক ভাঙছে এই স্টার্টআপ

নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করার পর গোডির লক্ষ্য ছিল, এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে, অযথা অপরাধবোধ বা চাপ না থাকে।

৪ দিন অফিস, যখন খুশি কাজ! কর্মীদের স্বাধীনতায় জোর, কর্পোরেট দুনিয়ার চেনা ছক ভাঙছে এই স্টার্টআপ

প্রতীকী ছবি (এআই নির্মিত)

অর্পিতা দাশগুপ্ত

শেষ আপডেট: 9 April 2026 15:59

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাজের চাপ, টাইমশিটের হিসেব, বসের চোখরাঙানি- কর্পোরেট দুনিয়ার এই দমবন্ধ পরিবেশ খুবই চেনা।  কিন্তু এই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে এক ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠাতা দেখিয়ে দিয়েছেন, কাজ মানেই বাঁধাধরা সময় নয়, মানসিক শান্তি (mental health at workplace) আর মানুষের প্রতি বিশ্বাসই আসল শক্তি। বার্নআউটের অন্ধকার গর্ত থেকে উঠে এসে তিনি তৈরি করেছেন এমন এক কর্মপরিবেশ, যেখানে মানুষ আগে- নিয়ম পরে (flexible work culture)। তার এই মন ছোঁয়া গল্পই এখন অনেকের চোখে নতুন আশা জাগাচ্ছে।

ব্রিটেনের এক প্রতিষ্ঠাতা লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট করে লেখেন, প্রচলিত কর্পোরেট সংস্কৃতির চাপ নিয়ে তিনি ভাবেন না। তার কোম্পানিতে ফলাফলই সব, কাজের সময় নয়। কর্মীদের পুরোপুরি স্বাধীনতার পরিবেশ দিয়েছে উদ্যোক্তা (UK founder work culture)।

বার্নআউট থেকে শিক্ষা, নতুন চিন্তার জন্ম

বেন গোডে লিঙ্কডইনে (Ben Goodey LinkedIn post) লিখেছেন, তাঁর টিমের এক সদস্য শরীর ঠিক না থাকায় দিন সেদিনের বদলে সপ্তাহান্তে কাজ করা যাবে কি না তা জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে বেন  বলেন, “অবশ্যই পারবে, আর এ জন্য তোমাকে অনুমতি চাওয়ার দরকার নেই।” তবে এর পর সেই ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া শুনে কিছুটা অবাক হয়েছিলেন তিনি। মালিকের অনুমতি পেলেও তিনি জানান, এমন স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও না জানালে তাঁর অস্বস্তি লাগে।

এই অনুভূতির সঙ্গে নিজেও খুব পরিচিত বেন। কারণে এর আগে তিনি একাধিক সংস্থায় চাকরি করেছেন। ফলে সেই একই চাপ এবং কর্মসংস্কৃতির অভিজ্ঞতা তাঁর কাছেও আছে। অফিসে দায়িত্ব পালন, ত্রুটিহীন কাজ এবং 'হাসল কালচার'-এর দৌড়ে নিজেকে শেষ পর্যন্ত বার্নআউটের দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন (burnout in corporate jobs)। সেই কঠিন অভিজ্ঞতাই তাঁকে বুঝিয়েছে, নিজের সুস্থতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই।

স্বাধীনতার ওপর দাঁড়িয়ে তার কোম্পানির সংস্কৃতি

এই কারণেই নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করার পর গোডির লক্ষ্য ছিল, এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে, অযথা অপরাধবোধ বা চাপ না থাকে।

তার প্রতিষ্ঠানে রয়েছে কিছু ব্যতিক্রমী নীতি-

  • সপ্তাহে ৪ দিন কাজ- বাকি সময়টা বিশ্রাম, পরিবার ও নিজের জন্য রাখার সুযোগ (4-day workweek policy)।
  • পৃথিবীর যেকোনও জায়গা থেকে কাজ- অফিসে হাজিরা নয়, কাজ হলেই চলবে।
  • কাজের নির্দিষ্ট সময় নেই- সকাল, দুপুর, রাত দিনের যখন সুবিধা, তখনই কাজ করার স্বাধীনতা (work from anywhere policy)।
  • সময় নয়, ফলাফলই মুখ্য- কত ঘণ্টা কাজ করলে নয়, কাজ কত ভালো হয়েছে সেটাই আসল।
  • মানসিক সুস্থতা আগে- দরকার হলে  ‘না’ বলার স্বাধীনতা, আর অযথা মিটিং সম্পূর্ণ বন্ধ।

```