নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করার পর গোডির লক্ষ্য ছিল, এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে, অযথা অপরাধবোধ বা চাপ না থাকে।

প্রতীকী ছবি (এআই নির্মিত)
শেষ আপডেট: 9 April 2026 15:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাজের চাপ, টাইমশিটের হিসেব, বসের চোখরাঙানি- কর্পোরেট দুনিয়ার এই দমবন্ধ পরিবেশ খুবই চেনা। কিন্তু এই চেনা ছবির বাইরে গিয়ে এক ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠাতা দেখিয়ে দিয়েছেন, কাজ মানেই বাঁধাধরা সময় নয়, মানসিক শান্তি (mental health at workplace) আর মানুষের প্রতি বিশ্বাসই আসল শক্তি। বার্নআউটের অন্ধকার গর্ত থেকে উঠে এসে তিনি তৈরি করেছেন এমন এক কর্মপরিবেশ, যেখানে মানুষ আগে- নিয়ম পরে (flexible work culture)। তার এই মন ছোঁয়া গল্পই এখন অনেকের চোখে নতুন আশা জাগাচ্ছে।
ব্রিটেনের এক প্রতিষ্ঠাতা লিঙ্কডইনে একটি পোস্ট করে লেখেন, প্রচলিত কর্পোরেট সংস্কৃতির চাপ নিয়ে তিনি ভাবেন না। তার কোম্পানিতে ফলাফলই সব, কাজের সময় নয়। কর্মীদের পুরোপুরি স্বাধীনতার পরিবেশ দিয়েছে উদ্যোক্তা (UK founder work culture)।
বার্নআউট থেকে শিক্ষা, নতুন চিন্তার জন্ম
বেন গোডে লিঙ্কডইনে (Ben Goodey LinkedIn post) লিখেছেন, তাঁর টিমের এক সদস্য শরীর ঠিক না থাকায় দিন সেদিনের বদলে সপ্তাহান্তে কাজ করা যাবে কি না তা জানতে চেয়েছিলেন। উত্তরে বেন বলেন, “অবশ্যই পারবে, আর এ জন্য তোমাকে অনুমতি চাওয়ার দরকার নেই।” তবে এর পর সেই ব্যক্তির প্রতিক্রিয়া শুনে কিছুটা অবাক হয়েছিলেন তিনি। মালিকের অনুমতি পেলেও তিনি জানান, এমন স্বাধীনতা থাকা সত্ত্বেও না জানালে তাঁর অস্বস্তি লাগে।
এই অনুভূতির সঙ্গে নিজেও খুব পরিচিত বেন। কারণে এর আগে তিনি একাধিক সংস্থায় চাকরি করেছেন। ফলে সেই একই চাপ এবং কর্মসংস্কৃতির অভিজ্ঞতা তাঁর কাছেও আছে। অফিসে দায়িত্ব পালন, ত্রুটিহীন কাজ এবং 'হাসল কালচার'-এর দৌড়ে নিজেকে শেষ পর্যন্ত বার্নআউটের দিকে ঠেলে দিয়েছিলেন (burnout in corporate jobs)। সেই কঠিন অভিজ্ঞতাই তাঁকে বুঝিয়েছে, নিজের সুস্থতা ও মানসিক স্বাস্থ্যের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নেই।
স্বাধীনতার ওপর দাঁড়িয়ে তার কোম্পানির সংস্কৃতি
এই কারণেই নিজের প্রতিষ্ঠান শুরু করার পর গোডির লক্ষ্য ছিল, এমন একটা পরিবেশ তৈরি করা যেখানে মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে কাজ করতে পারে, অযথা অপরাধবোধ বা চাপ না থাকে।
তার প্রতিষ্ঠানে রয়েছে কিছু ব্যতিক্রমী নীতি-