গবেষকদের মতে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কিছু গভীর ক্রেটারে সূর্যের আলো কোনওদিনই পৌঁছায় না। সেখানে তাপমাত্রা নেমে যায় –১৬০°C-এর নীচে। এই ভয়ানক ঠান্ডাই বরফকে কোটি কোটি বছর ধরে জমাট রাখে (ISRO lunar mission, water on Moon)।

চন্দ্রযান ২
শেষ আপডেট: 9 April 2026 18:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাঁদের দক্ষিণ মেরু নিয়ে এল দারুণ খবর! নতুন আন্তর্জাতিক গবেষণায় জানা গেল, চাঁদের অন্ধকার অঞ্চলগুলিতে কোটি কোটি বছর ধরে লুকিয়ে থাকা বরফ আসলে আগের ধারণার চেয়েও অনেক বেশি শক্তপোক্ত ও স্থির (Moon water discovery)। এই আবিষ্কার ভবিষ্যতে চাঁদে মানুষের বসতি গড়ার স্বপ্নকে আরও বাস্তবের কাছাকাছি এনে দিল।
চাঁদের ‘চির-অন্ধকারে’ জল এত স্থির কেন?
এই গবেষণায় অংশ নিয়েছেন ভারতের Physical Research Laboratory এবং Indian Institute of Science Education and Research-এর বিজ্ঞানীরা। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল Nature-এ।
গবেষকদের মতে, চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কিছু গভীর ক্রেটারে সূর্যের আলো কোনওদিনই পৌঁছায় না। সেখানে তাপমাত্রা নেমে যায় –১৬০°C-এর নীচে। এই ভয়ানক ঠান্ডাই বরফকে কোটি কোটি বছর ধরে জমাট রাখে (ISRO lunar mission, water on Moon)।
এলাকা লক্ষ্য করে রয়েছে NASA-র Artemis প্রোগ্রাম-সহ ভবিষ্যতের আন্তর্জাতিক মিশনগুলো। ভারতের চন্দ্রযান ২ (Chandrayaan-2) অরবিটারের তথ্যও এই গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
মিলল অবাক করা তথ্য
গবেষকরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার জায়গাগুলোর লক্ষ লক্ষ ছোট ছোট ক্রেটার পরীক্ষা করে দেখেছেন। আগে মনে করা হত—এদের আঘাতে বরফ নষ্ট হয়ে যেতে পারে। কিন্তু নতুন গবেষণায় দেখা গেছে-
গবেষকদের মতে, চাঁদের বরফ অনেক বেশি শক্ত, স্থির এবং সহনশীল।
মানুষের ভবিষ্যৎ মহাকাশযাত্রায় কেন এটা গুরুত্বপূর্ণ?
চাঁদের স্থায়ী বরফ ভবিষ্যতে মানুষের থাকার জন্য সুবিধা করে দিতে পারে। এই বরফ থেকেই তৈরি করা যাবে-
অর্থাৎ, চাঁদে মানুষের বসবাস থেকে মহাকাশ ভ্রমণ- সবকিছুতেই এই বরফ বড় ভূমিকা নিতে পারে।
ভারতের বড় অবদান
এই গবেষণায় চন্দ্রযান ২-এর (Chandrayaan-2) তথ্য অনেক সাহায্য করেছে। ফলে ভারতের ভবিষ্যৎ চন্দ্র মিশনের ভিত্তি আরও শক্ত হল।