
শেষ আপডেট: 10 June 2020 05:15
ক্যামেল অফ রোড রেসিং টিমের সঙ্গে ক্রিশ্চান ট্র্যাভারট (মাঝখানে) ও কাওয়াসাকি রেসিং বাইক[/caption]
শুরু হয়ে গিয়েছিল দ্বিতীয় দিনের র্যালি
সাহারার বুক চিরে চলে যাওয়া মসৃণ পিচঢালা রাস্তা দিয়ে উড়ে চলেছিল ক্রিশ্চান ট্র্যাভারটের কাওয়াসাকি কেএক্স-ফাইভ হান্ড্রেড টু স্ট্রোক রেসিং বাইক। মিনিট কুড়ি পরেই বাইকগুলি পিচের রাস্তা ছেড়ে নেমে পড়েছিল উট চলা রাস্তায়। উথালপাথাল সাগরের ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে থাকা বালিয়াড়ির দল স্বাগত জানিয়েছিল বাইক আরোহীদের। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা আরোহীদের মোটরসাইকেলগুলি, ভিডিয়ো গেমসের মতো একটার পর একটা বালিয়াড়িতে ওঠা নামা করতে করতে এগিয়ে চলেছিল।
ক্রিশ্চানের বাইকের গতিবেগ ছিল ১৪০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। তাঁর সামনে ছিল আরও গোটা সাতেক মোটরসাইকেল। তাদের চাকার দাগ দেখতে পাচ্ছিলেন ক্রিশ্চান। এইভাবে প্রায় দেড়শ কিলোমিটার যাওয়ার পর, ক্রিশ্চান সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বালিয়াড়ির ওপরে না উঠে দুটি বালিয়াড়ির মাঝের গলি দিয়ে বাইক ছোটাবেন। তাই বালিয়াড়িগুলির মাঝের গলি দিয়ে ছুটছিল ক্রিশ্চানের বাইক। কানে আসছিল অনান্য বাইকের ইঞ্জিনের শব্দ। এভাবেই কয়েকশো কিলোমিটার যাওয়ার পর, ক্রিশ্চান টের পেরেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বী বাইকগুলির ইঞ্জিনের শব্দ তিনি আর শুনতে পাচ্ছেন না। আবার বালিয়াড়িগুলির ওপর দিয়ে বাইক চালাতে শুরু করেছিলেন। ক্রিশ্চানের হিসাবে সেই মুহুর্তে তাঁর সামনে তিনটি বাইক থাকার কথা। কিন্তু বালির ওপর একটা বাইকেরও চাকার দাগ ছিল না।
[caption id="attachment_228457" align="aligncenter" width="600"]
অ্যাটলাস র্যালিতে ক্রিশ্চান ট্রাভারট ও তাঁর কাওয়াসাকি বাইক। হারিয়ে যাওয়ার আগের দিন রেস চলাকালীন তোলা ছবি।[/caption]
বালির সমুদ্রে হারিয়ে গিয়েছিলেন ক্রিশ্চান
গরম ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করেছিল। সাহারা মরুভুমির আগুন গরম কমলা রঙের বালি, চারদিক থেকে আছড়ে পড়তে শুরু করেছিল ক্রিশ্চানের ওপর। তবুও একের পর এক বালিয়াড়ি ঝড়ের গতিতে পেরিয়ে যাচ্ছিল ক্রিশ্চানের কাওয়াসাকি বাইক। হঠাৎ ক্রিশ্চানের নাকে এসেছিল রাং-ঝালাইয়ের গন্ধ। ইঞ্জিন থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে শুরু করেছিল। তারপর হঠাৎই স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল ক্রিশ্চানের বহুযুদ্ধের সঙ্গী কাওয়াসাকি কেএক্স-ফাইভ হান্ড্রেড-এর হৃদস্পন্দন।
রেস থেকে আগেই ছিটকে গিয়েছিলেন। বালিয়াড়ির ভুলভুলাইয়ায় পথ হারিয়ে সাহারা মরুভূমির কয়েকশো মাইল ভেতরে ঢুকে পড়েছিলেন। ক্রিশ্চান বুঝতে পেরেছিলেন তিনি হারিয়ে গিয়েছেন ভয়ঙ্কর সাহারা মরুভূমির বুকে। তবুও হতাশাকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। আপদকালীন পরিস্থিতির জন্য দু'লিটার জল রেখে দিয়েছিলেন বাইকে। সেটা নিয়ে, বালির মধ্যে মুখ গুঁজে শুয়ে থাকা, বহুদিনের সঙ্গী বাইকটির গায়ে শেষবারের মতো হাত বুলিয়ে দিয়েছিলেন ক্রিশ্চান। তারপর হাঁটতে শুরু করেছিলেন বালির সমুদ্রে।
[caption id="attachment_228467" align="aligncenter" width="600"]
সাহারা মরুভূমি[/caption]
শুরু হয়েছিল এক নতুন রেস
র্যালির নিয়ম, তাই ক্রিশ্চানের সঙ্গে র্যালির ম্যাপ ও কম্পাস ছাড়া ছিল না কোনও অত্যাধুনিক যন্ত্র। ম্যাপের হিসাবে সেই মুহুর্তে ক্রিশ্চান ছিলেন আলজিরিয়া ও মরোক্কোর মাঝামাঝি কোনও জায়গায়। ম্যাপ দেখে ক্রিশ্চান বুঝেছিলেন জায়গাটির কয়েকশো মাইলের মধ্যে কোনও রাস্তা বা জনবসতি নেই। ম্যাপের দক্ষিণে ক্রিশ্চান খুঁজে পেয়েছিলেন একটি ছোট কালো বিন্দু। ক্রিশ্চান অনুমান করেছিলেন কালো বিন্দুটি নিশ্চয়ই কোনও জনবসতির চিহ্ন হবে। সেই দিকেই এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
মাথার ওপর আগুন ঝরাচ্ছিল সাহারার সূর্য। ৪৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ক্রিশ্চানের গায়ে ছিল সিন্থেটিক কাপড়ে তৈরি হলুদ রঙের পোশাক। মাথায় ছিল হেলমেট। পায়ে ছিল মোটরসাইকেল রেসের জন্য তৈরি ভারী বুট। হাতে গ্লাভস। চোখে গগলস। সব কিছু পরেই হাঁটছিলেন ক্রিশ্চান। পাছে শরীর থেকে জল বেরিয়ে যায়, তাই কিছুই খোলেননি। ফুটন্ত দুপুরে পনেরো কুড়ি ফুট উঁচু বালিয়াড়িগুলি পার হতে শুরু করেছিলেন ক্রিশ্চান।
[caption id="attachment_228471" align="alignnone" width="600"]
বিকেলের সাহারা মরুভূমি[/caption]
দুপুর গড়িয়ে মনোরম বিকেল এসেছিল সাহারা মরুভূমির বুকে
সাহারার রাগ ক্রমশ কমে আসছিল। কেউ যেন প্রকান্ড হাত পাখা দিয়ে ঠাণ্ডা করতে শুরু করেছিল সাহারা মরুভুমির জ্বলতে থাকা হৃদয়। এভাবেই এসে গিয়েছিল সাহারার হাড়কাঁপানো রাত। রাতের আকাশে জেগে উঠেছিল লক্ষ লক্ষ নক্ষত্র। র্যালির বিভিন্ন চেক পয়েন্টে খাবারের ব্যবস্থা থাকায় ক্রিশ্চানের সঙ্গে কোনও খাবার ছিল না। তাই কয়েক চুমুক জল খেয়ে বালিতে গর্ত করে, তার মধ্যে হেলমেট পরেই শুয়ে পড়েছিলেন ক্রিশ্চান। যাতে নাকে বালি না ঢোকে। গর্তটা বেশি গভীর করেননি। কারণ সাহারার দামাল হাওয়া ঝুরো বালি উড়িয়ে এনে সহজেই তাঁকে জীবন্ত সমাধি দিয়ে দিতে পারে।
মরুভূমির বুকে দক্ষযজ্ঞ শুরু করে দেওয়া বাতাস বয়ে আনছিল বিভিন্ন আওয়াজ। কোনওটা শিশুর কান্নার মতো। কোনওটা আবার বিভিন্ন পর্দায় বাঁধা বিভিন্ন বাঁশির সুরের মতো। সাহারার বালিতে আঘাত করে, রসিক বাতাস পথ হারানো ক্রিশ্চানকে শোনাতে শুরু করেছিল অর্কেস্ট্রা। সে সব শুনতে শুনতে, কখন যেন ঘুমিয়ে পড়েছিলেন পরিশ্রান্ত ক্রিশ্চান। ভোর রাতে ঘুম ভেঙে গিয়েছিল। ক্রিশ্চানের শরীরের অর্ধেক বালিতে ডুবে গিয়েছিল। দ্রুত বালি ঝেড়ে উঠে পড়েছিলেন। নক্ষত্রদের আলোয় মরুভূমির বালির রঙ তখন দুধ সাদা। হাঁটতে শুরু করেছিলেন ক্রিশ্চান। যেভাবেই হোক তাঁকে পৌঁছাতেই হবে ম্যাপের কালো বিন্দুটির কাছে। পুবের আকাশ লাল করে সাহারায় এসেছিল নতুন ভোর।
[caption id="attachment_228473" align="aligncenter" width="600"]
ভোরের সাহারা[/caption]
হাঁটু ডোবা বালি ঠেলতে ঠেলতে এগিয়ে চলেছিলেন হলুদ পোশাকের ক্রিশ্চান
ক্রিশ্চান ভাবছিলেন, র্যালির কর্মকর্তারা কি কেউ বুঝতে পারেননি ৪৯ নম্বর প্রতিযোগী নিরুদ্দেশ! বুঝতে পারলে তো উদ্ধারকারী আসত। বেলা দশটা নাগাদ নীল আকাশে একটা হেলিকপ্টারকে উড়তে দেখেছিলেন ক্রিশ্চান। ভেবেছিলেন তাঁকে উদ্ধার করতে এসেছে হেলিকপ্টারটি। চেষ্টা করেও চালকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেননি। পশ্চিমে উড়ে গিয়েছিল হেলিকপ্টার। ক্রিশ্চান দেখেছিলেন তাঁর পায়ের নীচের বালির রঙ হলুদ। ঠিক তাঁর রেসের পোশাকের মত। তাই হয়ত তিনি হেলিকপ্টারের চালকের চোখে পড়েননি!
বেলা দেড়টা নাগাদ ক্রিশ্চান বসে পড়েছিলেন একটি বালিয়াড়ির ছায়ায়। ঠোঁট ফেটে গিয়েছিল। জিভ আড়ষ্ট হয়ে গিয়েছিল। নিজের গলা শুনে নিজেই চমকে উঠছিলেন ক্রিশ্চান। তৃষ্ণায় ছাতি ফেটে যাচ্ছিল। ঢক ঢক করে বোতলের বাকি জলটুকু খেয়ে ফেলেছিলেন ক্রিশ্চান। খেয়ে ফেলে বুঝেছিলেন ঠিক করলেন না। ওই জলটুকু তাঁকে আরও একদিন বাঁচাতে পারত। ক্রিশ্চানের অবসন্ন শরীর এলিয়ে পড়েছিল বালিতে।
জ্ঞান ফিরে আসার পর ক্রিশ্চান দেখেছিলেন, বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতে শুরু করেছে। নিজের ওপর রাগ হচ্ছিল ক্রিশ্চানের। একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের কবর নিজেই খুঁড়ে ফেলেছেন। মনের চোখ দিয়ে দেখতে পাচ্ছিলেন ফ্রান্সের একটি খবরের কাগজের হতে যাওয়া হেডলাইন," সাহারা মরুভূমিতে হারিয়ে যাওয়া স্পিডস্টার, ক্রিশ্চিয়ান ট্র্যাভার্টের শুকিয়ে কাঠ হওয়া মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গিয়েছে।" রাতের আকাশে একে একে ফুটে উঠছিল নক্ষত্ররা। বালির ওপর শুয়ে শুয়েই, রাতে শোওয়ার জন্য গর্ত খুঁড়তে শুরু করেছিলেন ক্রিশ্চান। গর্ত খুঁড়ছিলেন আর হাসছিলেন। হয়ত এই গর্তটিই আগামী কাল সকালে তাঁর কবর হয়ে যাবে।
[caption id="attachment_228472" align="aligncenter" width="600"]
রাতের সাহারা[/caption]
নিয়তি লিখেছিল অন্য উপাখ্যান
পরের দিন সকালে ঘুম ভেঙেছিল ক্রিশ্চানের। নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বিস্মিত ক্রিশ্চান। কিন্তু হাঁটতে গিয়ে দেখেছিলেন, পা দুটো ঠিক করে ফেলতে পারছেন না। দুটো পায়ে কেউ যেন টন টন লোহা বেঁধে দিয়েছে। তবুও পা টেনে টেনে এগিয়ে চলেছিলেন, হারার আগে হার না মানার পণ নিয়ে। হাঁটতে হাঁটতে মাথার ওপর এসে গিয়েছিল সুর্য। দৃষ্টি ঝাপসা হতে শুরু করেছিল। জ্ঞান হারানোর মুহুর্তে ক্রিশ্চানের চোখে পড়েছিল একটি কালো বিন্দু। বিন্দুটি নড়ছিল।
নিজের হৃদপিণ্ডের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছিলেন ক্রিশ্চান। হৃদপিণ্ডটি যেন বুকের খাঁচা ছেড়ে লাফ দিয়ে বেরিয়ে আসতে চাইছিল। গলা দিয়ে আওয়াজ বের হচ্ছিল না। পা টেনে টেনে কালো বিন্দুটির দিকে এগিয়ে চলেছিলেন ক্রিশ্চান। কালো বিন্দুটি বালিয়াড়ির ঢেউয়ে একবার ডুবে যাচ্ছিল আবার ভেসে উঠছিল। বড় একটা বালিয়াড়ি পেরিয়ে ক্রিশ্চান দেখেছিলেন একটা নয়, দুটো কালো বিন্দুকে। কিছুক্ষনের মধ্যেই কালো বিন্দু দুটি কাছে চলে এসেছিল। ঘোলাটে হওয়া দৃষ্টিতে ক্রিশ্চান দেখেছিলেন, মরুভূমির ভেতরে কম্বল পেতে বসে আছে সাহারার মরুভূমির যাযাবর সম্প্রদায়ের একটি মানুষ। পাশে দাঁড়িয়ে আছে একটা উট।
লোকটি কম্বলের ওপর বসে, তামার ফ্লাস্ক থেকে চা ঢালছিল কাপে। বালির সমুদ্র ভেদ করে ক্রিশ্চানকে উঠে আসতে দেখে উঠে দাঁড়িয়েছিল লোকটি। কোনও মানুষ যে পায়ে হেঁটে সাহারা মরুভূমির বুক থেকে উঠে আসতে পারে তা বুঝি সে বিশ্বাস করতে পারছিল না। টলতে টলতে লোকটির কাছে গিয়ে কম্বলে আছড়ে পড়েছিলেন ক্রিশ্চান। জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন আবার।
যাযাবর যিশু
মরুভূমিতে মহার্ঘ জলের ছিটে দিয়ে ক্রিশ্চানের জ্ঞান ফিরিয়েছিল যাযাবর মানুষটি। মুখে দাড়ি থাকা মানুষটিকে প্রভু যিশুর মতো লাগছিল ক্রিশ্চানের। চেষ্টা করেছিলেন নিজের অবস্থা বলার। মানুষটি মুখে আঙুল দিয়ে চুপ করতে বলেছিল ক্রিশ্চানকে। এক কাপ চা আর একটা প্রায় শুকনো কমলা লেবু এগিয়ে দিয়েছিল ক্রিশ্চানের দিকে। পঞ্চান্ন ঘন্টা পরে খাবার খেয়েছিলেন ক্রিশ্চান। ক্রিশ্চানের মনে হয়েছিল এত সুস্বাদু খাবার তিনি তাঁর জীবনে খাননি।
একটু ধাতস্ত হওয়ার পর মানুষটিকে ক্রিশ্চান দেখিয়েছিলেন ম্যাপের দক্ষিণে থাকা কালো বিন্দুটি। মানুষটি মাথা নেড়ে জানিয়েছিল,ম্যাপের বিন্দুটি সে চিনতে পারছে না। তবে সে চেপে ধরেছিল ক্রিশ্চানের হাত। বুঝিয়েছিল সে ক্রিশ্চানের পাশে আছে। আর এক কাপ চা ক্রিশ্চানকে দিয়ে, কম্বল গুটিয়ে উটের পিঠে বেঁধেছিল যাযাবর মানুষটি। তারপর ক্রিশ্চানকে উঠিয়ে নিয়েছিল উটের পিঠে। উট চলতে শুরু করেছিল দক্ষিণ পশ্চিমে।
[caption id="attachment_228475" align="aligncenter" width="600"]
জীবনে ফিরে আসা ক্রিশ্চান[/caption]
প্রায় চারঘন্টা পর ক্রিশ্চানের চোখে পড়েছিল কালো একটি বিন্দু। উত্তেজনায় যাযাবর মানুষটির কাঁধ খামচে ধরেছিলেন ক্রিশ্চান। মুখ ফিরিয়ে মানুষটি হেসেছিল। পড়ন্ত বিকেলের সোনালি আলোয় সত্যিই মানুষটিকে দেবদূত মনে হচ্ছিল। উটটি বালি ঠেলে হেলতে দুলতে কালো বিন্দুটির দিকে এগিয়ে চলেছিল। মরুভূমির বুকে জেগে উঠেছিল ছোট্ট একটি গ্রাম।
জীবনের রেসে হারতে হারতে এভাবেই জিতে গিয়েছিলেন ক্রিশ্চান। যদিও তাঁর কাওয়াসাকি কেএক্স-ফাইভ হান্ড্রেড টু স্ট্রোক বাইকটা আজও ঘুমিয়ে আছে সাহারার বুকে। তলিয়ে গিয়েছে বালির তলায় রুদ্ধশ্বাস কাহিনিটি বুকে নিয়ে।
আরও পড়ুন: সন্ধ্যায় ঘুমিয়ে পড়ে সারিস্কা, জিঘাংসা বুকে নিয়ে নাকি জেগে ওঠে রক্তলোলুপ ভানগড় দুর্গ