
শেষ আপডেট: 25 August 2023 13:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অনেকেই খুব অল্পতেই ক্লান্তি বোধ করেন। কোনও কাজ করতে গিয়ে তেমন উৎসাহ পান না। একটু কাজ করেই হাঁফিয়ে যান অথবা আগে যে পরিমাণ কাজ করতে পারতেন, এখন সেটুকু করতে গেলেও অনীহা লাগে। সারাক্ষণ দুর্বল লাগে। মাঝে মাঝে শ্বাস প্রশ্বাসেও সমস্যা হয়। এমনটা হলে কিন্তু শুধুই দুর্বলতা বা হতোদ্যম ভেবে চুপচাপ বসে থাকবেন না। হতে পারে আপনার হার্ট ফেলিওরের দিকে এগোচ্ছে।
সুস্থ হার্ট স্বাভাবিকভাবে রক্তকে পাম্প করে শরীরের সমস্ত অংশে ছড়িয়ে দেয় । এখন হার্ট যদি কোনও কারণে এই কাজ করতে না পারে, হার্টের অক্ষমতা দেখা দেয়, তাহলে তাকে হার্ট ফেলিওর বলে।
অনেকসময় দেখা যায় হার্ট ঠিক মতো পাম্প করলেও অন্য কোনও সমস্যার জন্য টিস্যুগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণ রক্ত পাচ্ছে না, এমন অবস্থাও হার্ট ফেলিওরের কারণ হতে পারে।
অনেকেই অতিরিক্ত ক্লান্তি বোধ করলে, তা যে হার্ট ফেলিওরের লক্ষণ হতে পারে, তা বুঝতে পারেন না। ফলে রোগটা ভেতর ভেতর অনেকটা বেড়ে যায়। এই রোগে কিন্তু প্রায় ৫০% মানুষই মারা যান। তাই সচেতন হওয়া খুব প্রয়োজন।
চিকিৎসায় ব্যবহৃত অত্যাধুনিক যন্ত্র দিয়ে কিন্তু হার্ট ফেলিওরের চিকিৎসায় ভাল ফল পাওয়া যায়। তাই এমন উপসর্গ দেখলে ফেলে রাখবেন না। মনে রাখবেন, হার্ট ফেলিওর কিন্তু ক্যান্সার বা সিওপিডির থেকেও ভয়ঙ্কর। তাই সচেতনতা বাড়ান। ভাল থাকুন।
দেখবেন, বেলা অবধি ঘুমোলেও (Oversleeping) আপনার ক্লান্তি কাটবে না। বরং শরীর আরও বেশি ম্যাজম্যাজ করবে। মনে হবে আরও কিছুক্ষণ শুয়ে থাকি। এনার্জিই পাবেন না সারাদিনের কাজে। এর কারণটাই হল, বেশি ঘুম শরীরের কলকব্জা বিগড়ে দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেশি ঘুম হার্টের জন্য ঠিক নয়। হার্ট রেট ও রক্তচাপের ব্যালান্সটাই নাগি বিগড়ে যায়।
ডাক্তারবাবুরা বলেন, হাইপারসমনিয়া হল নিউরোলজিক্যাল স্লিপিং ডিসঅর্ডার। হাইপারসমনিয়া হলে দিনের বেলাতেও জেগে থাকা বেশ কষ্টসাধ্য (Oversleeping)। চোখের পাতা সবসময়েই ভারী হয়ে আসে। সারাদিনের বেশিটা সময়েই ঘুমোতে ইচ্ছে করে। এই হারপারসমনিয়া নানা কারণে হতে পারে। স্লিপ অ্যাপনিয়া থাকলে, কিডনির অসুখ হলে, মাথায় কোনওরকম আঘাত লাগলে তার থেকেও হতে পারে। হাইপারসমনিয়ার মাত্রা ছাড়িয়ে গেলেও হার্ট ফেলিওর হতে পারে।
আরও পড়ুন: শূন্য রেসলিং রিং, হার্ট অ্যাটাকে অকালে চলে গেলেন ব্রে ওয়াট