Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
হরর নয়, এক ব্যক্তিগত ক্ষতের গল্প—‘দ্য মামি’ নিয়ে মুখ খুললেন পরিচালকনববর্ষে স্মৃতির পাতায় ফিরলেন সাবিত্রী, বললেন—“আগে এত উদযাপন ছিল না”'আইপিএলের বাতিল ক্রিকেটাররাই পিএসএলে আসে!’ বোমা ফাটালেন খোদ পাকিস্তানের প্রাক্তন তারকাহরমুজ বাধা টপকে গুজরাতে ভারতীয় জাহাজ! ট্রাম্পের অবরোধের মাঝেই স্বস্তি ফেরাল ‘জাগ বিক্রম’হলফনামায় তথ্য গোপনের অভিযোগ! মেদিনীপুরের তৃণমূল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির‘১৫ বছরের অচলাবস্থা কাটানোর সুবর্ণ সুযোগ!’ নববর্ষের শুভেচ্ছাবার্তায় তৃণমূল সরকারকে তোপ মোদীরঅভিষেক পত্নীকে টার্গেট করছে কমিশন! হোয়াটসঅ্যাপে চলছে নেতাদের হেনস্থার ছক? সরাসরি কমিশনকে চিঠি তৃণমূলেরIPL 2026: আজ আদৌ খেলবেন তো? ‘চোটগ্রস্ত’ বিরাটের অনুশীলনের ভিডিও দেখে ছড়াল উদ্বেগনৌকাডুবিতে ১৫ জনের মৃত্যু, বৃদ্ধার প্রাণ বাঁচাল ইনস্টা রিল, ফোনের নেশাই এনে দিল নতুন জীবন!‘ভূত বাংলা’-তে যিশু সেনগুপ্তর আয় নিয়ে হইচই! ফাঁস হল অঙ্ক

হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে ৫৫ শতাংশ বুঝতেই পারেন না কী হয়েছে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম একঘন্টা (AIIMS)। বলা হয়, ওটাই নাকি বাঁচার সুবর্ণ সুযোগ। অন্তত হৃদরোগের দুনিয়ায় তাই বলা হয়। প্রথম ৬০ মিনিটের মধ্যেই যদি চট করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটস্থ হাসপাতালে, অনেক বেশি সম্ভাবনা থাকে বেঁচে যাওয়ার। কিন্তু খোদ এ

হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হলে ৫৫ শতাংশ বুঝতেই পারেন না কী হয়েছে, বলছে এইমসের সমীক্ষা

শেষ আপডেট: 30 May 2023 13:50

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রথম একঘন্টা (AIIMS)। বলা হয়, ওটাই নাকি বাঁচার সুবর্ণ সুযোগ। অন্তত হৃদরোগের দুনিয়ায় তাই বলা হয়। প্রথম ৬০ মিনিটের মধ্যেই যদি চট করে রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয় নিকটস্থ হাসপাতালে, অনেক বেশি সম্ভাবনা থাকে বেঁচে যাওয়ার। কিন্তু খোদ এইমসের (AIIMS Study) করা এক সমীক্ষা বলছে, এদেশে সেই সংখ্যা অনেকটাই কম। মাত্র ১০ শতাংশ-এর কাছাকাছি রোগীকেই (heart attack patients) এই একঘন্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়।

এইমসের সেন্টার ফর কমিউনিটি সেন্টারের অধ্যাপক ডাঃ আনন্দ কৃষ্ণন বলছেন, ‘হরিয়ানার ফরিদাবাদের বল্লভগড় ব্লকে যারা যারা হৃদরোগে মারা গিয়েছেন, তাঁদের তথ্যের ওপর আমরা একটা সামাজিক সমীক্ষা (সোশ্যাল অডিট) চালিয়েছিলাম। দেখতে চেয়েছিলাম, তাঁরা সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন কিনা, পৌঁছলেও কী কী সমস্যার মুখোমুখি হয়েছিলেন বা যদি না পৌঁছে থাকেন তো তারই কারণ কী ছিল।’

দেখা গিয়েছে, ৫৫ শতাংশ রোগীই আদতে বুঝে উঠতে পারেননি ঠিক কী কারণে বুকে ব্যথা করছে। সেসবের জন্যই অনেকটা দেরি করে ফেলেন। আদৌ হাসপাতালে যাওয়ার দরকার আছে কিনা, বুঝতে বুঝতেই সময় চলে যায়। ২০ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশ রোগী হাসপাতাল অবধি যাওয়ার বাহন জোগাতে পারেননি। কেউ গাড়ি পাননি, কেউ আবার গাড়ি ভাড়ার জন্য টাকা জোগাড় করে উঠতে পারেননি। ১০ শতাংশ রোগীর পরিজনরা জানিয়েছেন, হাসপাতালে গিয়েও তাঁরা সঠিক সহযোগিতা পাননি। চিকিৎসা শুরুই করা হয়নি ঠিক মত।

বাংলায় পুর দুর্নীতি: সিবিআই তদন্তে স্থগিতাদেশ চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার

ছবিটা যদিও বঙ্গেও অচেনা নয়। আমাদের চারপাশে এই অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। বিশেষ করে যারা স্বচক্ষে হৃদরোগে আক্রান্ত হতে দেখেছেন কাউকে, বা নিজেরা এই অভিজ্ঞতার মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন—তাঁরা জানেন, বুকে ব্যথা হলে কেউ বুঝতেই পারেন না কী কারণে ব্যথা হয়েছে। অনেকেই ভাবেন, কোনও ভাবে গ্যাস-অম্বল থেকে হচ্ছে, ফলে চেষ্টা করেন অ্যান্টাসিড বা প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর জাতীয় ওষুধ (যেমন প্যান্টোপ্রাজোল বা এসোমোপ্রাজোল) খেয়ে সারাতে। এটাকেই তিনটে স্তরে ভাগ করেছেন এইমসের বিশেষজ্ঞরা। প্রথমটার নাম দিয়েছেন ‘লেভেল ওয়ান ডিলে’। এতে বুঝতে বুঝতেই সময় চলে যায়। বোঝা গেলেও অনেকে এমন হাসপাতালে যান, যাদের ঠিক মত চিকিৎসার সামগ্রী নেই। এটাকে তাঁরা বলছেন ‘লেভেল টু ডিলে’। আর তৃতীয় স্তরে রয়েছে যাওয়ার মত আর্থিক জোর না থাকা। এটাকে বলা হচ্ছে ‘লেভেল থ্রি ডিলে’। যাতে স্রেফ যানবাহন জোগাড় করতে না পেরে অসহায়ভাবে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যান রোগী।

এই সমীক্ষা চলেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর মেডিক্যাল রিসার্চ বা আইসিএমআরের আর্থিক সহযোগিতায়। এইমসের তিনটি বিভাগ এতে অংশ নিয়েছে, কার্ডিওলজি, নিউরোলজি ও কমিউনিটি মেডিসিন। এক বছর ধরে মোট ৪৩৫টি মৃত্যুর ঘটনাকে খুঁটিয়ে দেখেছেন তাঁরা। ডাঃ কৃষ্ণনের মতে, ‘মোটামুটি একটু এদিক-ওদিক না হলে সারা দেশের ছবিটা এরকমই আসবে।‘ তাঁর মতে, আগে এরকম সমীক্ষা চলেছে কিন্তু সেসব বেশিরভাগই হাসপাতাল কেন্দ্রিক। এই প্রথম সমীক্ষা করা হল একেবারে নিচুতলায়, গ্রামে গিয়ে। বল্লভগড়ের যে দুটো ব্লকে চলেছে, সেখানকার জনসংখ্যা প্রায় ২১ লক্ষ।

‘হৃদরোগ খুবই মারাত্মক। এতে কোনও সন্দেহ রাখা উচিত নয়। বিশেষ করে বুকের বাঁ দিকে ব্যথা হলেই সঙ্গে সঙ্গে যাওয়া উচিত হাসপাতালে। যদিও সব বুকে ব্যথাই হৃদরোগ নয়। সব হৃদরোগ বুকে ব্যথা দিয়ে শুরুও হয় না। তবু আমাদের কোনো সন্দেহ রাখা উচিত না। বিশেষ করে, এমন হাসপাতালে যেতে হবে, যেখানে হৃদরোগের চিকিৎসার সব উপকরণ মজুত থাকে। একঘন্টার মধ্যে পৌঁছতে পারলেই বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে’, বলছেন ডাঃ কৃষ্ণন।

১-লাখি মোবাইল উদ্ধারে জলাশয়ের ২১ লক্ষ লিটার জল ছেঁচেছিলেন, বিপুল টাকা জরিমানা সরকারি কর্তাকে


```