
শেষ আপডেট: 13 October 2018 18:30
যে কোনও সবুজ সব্জিতেই থাকে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। বিশেষত ভিটামিন এ ও ভিটামিন ই যা ত্বকের জন্য উপকারি। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বকের ক্ষতিকর ও মরে যাওয়া কোষগুলিকে ছেঁটে ফেলে। ব্রণের সমস্যা মেটায়, কালচে ভাব দূর করে। এর লুটেনিন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ত্বককে জেল্লাদার করে। তেলতেলে ভাব কমে ত্বক হয়ে ওঠে তরতাজা।
সুন্দর ত্বকের জন্য ফলের গুরুত্ব তো সবারই জানা। ফলের রস যেমন প্রাকৃতিক টোনারের কাজ করে , তেমনি এনার্জি বাড়ায়। এর ভিটামিন, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানীজ ত্বকের পুষ্টি যোগায়। তা ছাড়াও লেবু জাতীয় ফলে থাকে ভিটামিন সি, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে। ফলের ফ্রুকটোজ ত্বকের কোষকে সজীব রাখে।
মাছে রয়েছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদান রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইড বা ফ্যাটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। যা স্বাস্থ্যকর উপায়ে ওজন যেমন কমায়, তেমনই সামগ্রিক স্বাস্থ্যেরও খেয়াল রাখে। মস্তিষ্কের কাজও সুস্থ ভাবে করতে সাহায্য করে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। যা সামগ্রিক ভাবে প্রভাব ফেলে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যে। এই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড মস্তিষ্কে সিরোটোনিন, ডোপামাইন হরমোনের ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। ফলে মানসিক অবসাদ কমে, মনও ভাল থাকে, সেই সঙ্গে ত্বকও।
মূলত শীতের সব্জি হলেও আজকাল কম-বেশি সারা বছরই মেলে গাজর। আর এই গাজরের দ্বারাই চটজলদি কমিয়ে ফেলা যায় শরীরের মেদ। পাশাপাশি সুস্থ রাখা যায় ত্বককেও। পুষ্টিবিদদের মতে, ১০০ গ্রাম গাজরে শর্করা রয়েছে ১০.৬ গ্রাম মতো। তুলনায় ফ্যাটের পরিমাণ প্রায় নেই বললেই চলে, মাত্র ০.২ গ্রাম। কাজেই নিত্য খাদ্যতালিকায় গাজর রাখলে মেদও কমবে, পাশাপাশি এর ক্যারোটিন সূর্যের আলট্রাভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষাও করবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে দু'কাপ গ্রিন টি শরীরের যে কোনও প্রদাহজনিত রোগ কমায়। এতে রয়েছে ভরপুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বককে ডিটক্স করে। সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মির হাত থেকে বাঁচায়।