মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (Immigration and Customs Enforcement – ICE) আধিকারিকরা মিনেসোটায় (Minnesota) একটি ইমিগ্রেশন অভিযান চলাকালীন পাঁচ বছরের এক শিশুকে আটক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

ইমিগ্রেশন অভিযান চলাকালীন পাঁচ বছরের এক শিশুকে আটক করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
শেষ আপডেট: 23 January 2026 12:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (United States) ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (ICE) আধিকারিকরা মিনেসোটায় (Minnesota) একটি ইমিগ্রেশন অভিযান চলাকালীন পাঁচ বছরের এক শিশুকে আটক করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS)-র তরফে জানানো হয়েছে, শিশুটির নাম লিয়াম রামোস (Liam Ramos)। সে তার বাবার সঙ্গে ছিল। শিশুটির বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে অ্যাড্রিয়ান আলেকজান্ডার কোনেখো আরিয়াস (Adrian Alexander Conejo Arias)-কে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, বাবার বিরুদ্ধে চলা একটি নিরাপদ আশ্রয় (asylum) সংক্রান্ত মামলার সূত্র ধরেই এই অভিযান চালানো হয় এবং বাবাকে ধরতে শিশুটিকে কার্যত ‘টোপ’ (bait) হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল।
সরকারি সূত্রের দাবি, প্রি-স্কুল (preschool) থেকে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণের মধ্যেই শিশুটিকে আটক করেন অভিবাসন আধিকারিকরা। সেই সময় তার বাবা বাড়ির কাছাকাছিই উপস্থিত ছিলেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট (Former Vice President) কমলা হ্যারিস (Kamala Harris)। তিনি ICE-এর ভূমিকার কড়া সমালোচনা করে বলেন, “লিয়াম রামোস মাত্র একটি শিশু। তার পরিবারের সঙ্গে বাড়িতে থাকার কথা, অথচ তাকে ICE ‘টোপ’ হিসেবে ব্যবহার করেছে এবং টেক্সাসের (Texas) একটি আটক কেন্দ্রে (detention center) রাখা হয়েছে। আমি ক্ষুব্ধ, আর আপনাদেরও প্রতিবাদ করা উচিত।”
ঘটনা নিয়ে বিতর্ক ছড়াতেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে ICE। সংস্থাটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স (X)-এ এক বিবৃতিতে জানায়, “একজন অপরাধমূলক বেআইনি অভিবাসী (criminal illegal alien) ICE অফিসারদের হাত থেকে পালানোর সময় নিজের সন্তানকে ফেলে পালিয়ে চলে যান। আমাদের অফিসাররা তীব্র শীতের মধ্যে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিরাপদে জায়গা দিয়েছে।”
ICE আরও দাবি করেছে, তারা একাধিকবার পরিবারের সদস্যদের অনুরোধ করেছিল যাতে তারা বাড়ির ভিতরে এসে শিশুটির দায়িত্ব নেয়। কিন্তু পরিবার সেই দায়িত্ব নিতে অস্বীকার করে। সংস্থার বক্তব্য অনুযায়ী, শিশুটির বাবা নিজেই অফিসারদের জানিয়েছিলেন যে তিনি চান না, তাঁর সন্তান তাঁর সঙ্গেই থাকুক।