মুন সাইন ও চাঁদের আলো কীভাবে মানুষের আবেগ, ঘুম ও মানসিক অবস্থাকে প্রভাবিত করে—জানুন বিজ্ঞান ও জ্যোতিষের আলোকে।

শেষ আপডেট: 10 January 2026 18:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাঁদের আলো শুধু রাতের আকাশের সৌন্দর্য বাড়ায় না, মানুষের মন-মেজাজ ও আবেগের উপরও এর গভীর প্রভাব পড়তে পারে—এমনটাই জানাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সাম্প্রতিক একাধিক গবেষণায় উঠে এসেছে, পূর্ণিমার রাতে মানুষের ঘুমের গুণমান কমে যেতে পারে এবং সেই সঙ্গে আবেগজনিত অস্থিরতাও বাড়তে পারে।
ভারতের মতো দেশে, যেখানে চাঁদপূজা ও চন্দ্র-নির্ভর বহু ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আচার আজও পালিত হয়, সেখানে এই তথ্য নতুন আলো ফেলেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চাঁদের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ যেমন পৃথিবীর জোয়ার-ভাটাকে নিয়ন্ত্রণ করে, তেমনই মানুষের মানসিক ও আবেগগত অবস্থার উপরও প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
কলকাতা ও মুম্বাইয়ের মতো বড় শহরে করা বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, চাঁদের আলোর তীব্রতা বাড়লে শুধু ঘুমের সময় কমে না, সেই সঙ্গে মানসিক চাপ ও অস্থিরতাও বৃদ্ধি পায়। গবেষকদের দাবি, এই সময়ে মানুষের আবেগ বেশি সংবেদনশীল হয়ে ওঠে, যার প্রভাব পড়ে দৈনন্দিন সিদ্ধান্ত এবং আচরণে।
অন্যদিকে, সমাজের একাংশের বিশ্বাস অনুযায়ী, চাঁদের পূর্ণ অবস্থা মানসিক শান্তি ও ইতিবাচক শক্তির প্রতীক। তাঁদের মতে, পূর্ণিমা আত্মসমীক্ষা ও মানসিক ভারসাম্য ফিরিয়ে আনার জন্য শুভ সময়। এই বিশ্বাস ভারতীয় সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ মানসিক প্রবণতাকেই তুলে ধরে।
এই দ্বৈত প্রভাব—একদিকে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ, অন্যদিকে সাংস্কৃতিক বিশ্বাস—কেন এবং কীভাবে কাজ করে, তা খতিয়ে দেখতে নতুন করে গবেষণা শুরু হয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিজ্ঞান ও জ্যোতিষ—এই দুই ধারার সংযোগেই চাঁদ ও মানুষের মনের সম্পর্ক আরও স্পষ্ট হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।