
ওজন কমানোর হরেক পদ্ধতি
শেষ আপডেট: 8 May 2025 12:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওজন কমানোর নানারকম পদ্ধতির মাঝে দিশেহারা হয়ে পড়েন অনেকেই। কখনও বাজারে আসে নতুন কোনও ওষুধ, কখনও বা সোশ্যাল মিডিয়া ভরে যায় ডিটক্স চা বা জুস ক্লেন্সের বিজ্ঞাপনে। এত কিছু দেখে মনে হতেই পারে—এই পদ্ধতিগুলো সত্যিই কাজ করে তো? নাকি এগুলো নিছকই চটকদার মার্কেটিং কৌশল?
এই প্রশ্নেরই উত্তর দিয়েছেন চিকিৎসক ডঃ চিনিয়েরে নেডো। তিনি একজন পারিবারিক চিকিৎসক ও ইনস্টাগ্রামে স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ দিয়ে থাকেন নিয়মিত। ৩ এপ্রিল নিজের একটি পোস্টে তিনি ওজন কমানোর জনপ্রিয় ১০টি পদ্ধতিকে কার্যকারিতা অনুযায়ী ১০-এর মধ্যে নম্বর দিয়ে বুঝিয়েছেন। দেখে নেওয়া যাক, কোন পদ্ধতি কতটা কার্যকর:
View this post on Instagram
১. ওজেম্পিক/GLP-1 ওষুধ (৭/১০)
সুস্থ ডায়েট ও ব্যায়ামের সঙ্গে এই ওষুধ প্রয়োগ করলে ফল পাওয়া যায়। তবে কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার ঝুঁকি থাকে।
২. ক্যালোরি ট্র্যাকিং (৭/১০)
নিয়মিত নজর রাখলে এটি বেশ কার্যকর। তবে যাতে এটা দৈনন্দিন জীবনের উপর প্রভাব না ফেলে, সে দিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
৩. প্রতিদিন কার্ডিও ব্যায়াম (৪/১০)
শুধু কার্ডিও করে দীর্ঘমেয়াদি চর্বি কমানো সম্ভব নয়। এতে শুধু ব্যায়ামের সময়টুকু ক্যালোরি ঝরে। তাই স্ট্রেংথ ট্রেনিং জরুরি।
৪. স্ট্রেংথ ট্রেনিং (৯/১০)
চর্বি গলিয়ে ও পেশি গঠন করতে সাহায্য করে। দীর্ঘমেয়াদে ওজন কমাতে খুবই কার্যকর।
৫. খাওয়াদাওয়া বাদ দেওয়া (২/১০)
সারাদিন খালি পেতে থেকে ওজন কমানো যায় না। যারা এটা মনে করেন, তারা আসলে ভুল। এতে বরং শরীরের ক্ষতি হতে পারে। তাছাড়া সারাক্ষণ বিরক্ত লাগাও স্বাভাবিক।
৬. মিল প্রিপ (৮/১০)
যদি নির্দিষ্ট সময়ের আগে থেকেই সব খাবার তৈরি করে রাখা যায়। তাহলে সবটাই সময় মতো হয়। খাওয়ার সঙ্গে খাবার বানাতে গেলে সমস্যা তো দেখা দেবেই।
৭. স্লিমিং চা (১/১০)
এতে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। বারবার বাথরুম যাওয়ার মানেই ওজন কমা নয়। এতে ডিহাইড্রেশন দেখা দিতে পারে।
৮. লো-কার্ব ডায়েট (৫/১০)
স্বল্পমেয়াদে হয়তো ওজন কিছুটা কমে যায়। তবে সব ধরনের কার্ব খারাপ নয়। সঠিক কার্ব বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে সঠিক ওজন বজায় রাখা সম্ভব।
৯. ভাল ঘুম (৯/১০)
এটা হল একপ্রকার বিনামূল্যে পাওয়া ওজন কমানোর উপায়, যার কথা খুব কমই বলা হয়। নির্দিষ্ট সময় অর্থাৎ ৮ ঘণ্টার ঘুম খুব দরকার। না ঘুমলে ওজন বাড়তেই থাকে।
১০. জুস ক্লেন্স (০/১০)
‘ডিটক্স’ বললেও আদতে শরীরের ভিতরে কিছুই পরিষ্কার হয় না, বরং বাড়তি চিনি শরীরে ঢুকে পড়ে। এতে ওজন কমার পরিবর্তে বাড়ে।
বি.দ্র.: এই প্রতিবেদন শুধুমাত্র তথ্যের উদ্দেশ্যে লেখা। কোনও চিকিৎসা পরামর্শ নয়। কোনও শারীরিক সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।