প্রাচীনকাল থেকেই বসন্তে সজনে শাক ও ডাঁটার (Drumstick leaves benefits) ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানও এদের কার্যকারিতা স্বীকার করেছে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 25 January 2026 14:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জানুয়ারির শেষ হতে না হতেই বিদায়ের পথে শীত। আর এই সময়ই বাড়ে চিকেনপক্স বা ভ্যারিসেলা জোস্টার ভাইরাসের (Varicella Virus Prevention) সংক্রমণের ঝুঁকি। শিশু থেকে বড় সকলেই আক্রান্ত হতে পারেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে একে ‘সেলফ লিমিটিং ডিজিজ’ বলা হলেও, সতর্কতা এবং ঘরোয়া যত্নই দ্রুত সুস্থ হওয়ার মূল চাবিকাঠি।
চিকিৎসকদের মতে, সংক্রমণের শুরুতেই দেখা দেয় প্রবল জ্বর, মাথাব্যথা এবং সারা শরীরে জলভরা ফোসকা। এই সময়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই চিকিৎসার পাশাপাশি ডায়েটে সতর্কতা অবলম্বন করা খুব জরুরি।
সজনে শাক ও ডাঁটার জাদুকরী গুণ
প্রাচীনকাল থেকেই বসন্তে সজনে শাক ও ডাঁটার (Drumstick leaves benefits) ব্যবহার হয়ে আসছে। আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞানও এদের কার্যকারিতা স্বীকার করেছে।
সজনে শাক: ভিটামিন এ, সি এবং শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ। রক্তকে টক্সিনমুক্ত করে ভাইরাসের সঙ্গে লড়াইয়ে সাহায্য করে।
সজনে ডাঁটায় ফাইবার: খনিজ ও ভিটামিন বি সমৃদ্ধ। এটি শরীরকে ভিতর থেকে আর্দ্র রাখে, হজম শক্তি বাড়ায় এবং লিভারের কার্যকারিতা ঠিক রাখে।
নিম ও তুলসি: নিমে (Neem for immunity) থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ত্বকের জ্বালা ও চুলকানি কমায়। তুলসি ও মধুর মিশ্রণ ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখে।
জরুরি সতর্কতা ও পরিচর্যা
চিকেনপক্স নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই, কিন্তু সতর্ক থাকা জরুরি। নিয়মিত সজনে শাক ও ডাঁটা খেলে সংক্রমণের তীব্রতা অনেকটাই কমাতে সাহায্য করে (chickenpox symptoms)। এছাড়া, সময়মতো ভ্যারিসেলা টিকা নেওয়া এবং পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ।
বসন্তের রঙিন আনন্দের সঙ্গে এই সতর্কতা মেনে চললে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব এবং পরিবারের সবাই সুস্থ থাকতে পারে।