
ঘিয়ের এই উপকারীতার কথা জানেন কি?
শেষ আপডেট: 3 April 2025 18:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাঙালি বাড়ি মানেই সেখানে গরমমশলার পাশাপাশি ঘি (ghee) থাকবেই। নিরামিষ রান্নার স্বাদ এক নিমেষে স্বর্গতুল্য করে তুলতে একটুখানি ঘি-ই যথেষ্ট। প্রাচীনকাল থেকেই রান্নার পাশাপাশি পুজার্চনার কাজেও ঘিয়ের বহুল ব্যবহার রয়েছে। এককথায়, গোটা ভারতেই নানা অঞ্চলে নানা রকম ভাবে ঘিয়ের ব্যবহার হয়ে থাকে। এর উপকারীতারও (benefit) শেষ নেই। কিন্তু জানেন কি, সৌন্দর্য-রূপচর্চার ক্ষেত্রে ঘিয়ের অবদান কতটা?
পুষ্টিগুণে (nutrition rich) ভরপুর ঘিয়ের একটা ফোঁটা আপনার নিস্তেজ, নিষ্প্রাণ ত্বকে (dull skin) এনে দিতে পারে লাবণ্যের (glowing skin) স্পর্শ।
ঘিয়ে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এ, ই এবং ডি, ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। বলিরেখা কমিয়ে যৌবনোচ্ছল ত্বক ফিরিয়ে আনে। খুব ভাল ময়েশ্চারাইজার (moisturiser) হিসেবে কাজ করে। ত্বকের প্রাকৃতিক ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখে। ফাটা ঠোঁট সারিয়ে কোমলতা ফিরিয়ে আনে। ডার্ক সার্কেল কমাতেও সাহায্য করে ঘি। শরীরকে টক্সিনমুক্ত করতেও ঘিয়ের অবদান রয়েছে।
ঘি-কে প্রতিদিনের রূপচর্চার (skin care) অংশ করে তুলুন। রাতে ঘুমোনোর আগে ব্যবহার করতে পারেন ঘি, কিন্তু কীভাবে? জেনে নিন-
১) অল্প ঘিয়ের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে নিন,
২) সমানভাবে গোটা মুখে লাগিয়ে নিন।
৩) ঘি-হলুদের মিশ্রণ শুকিয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। তারপর ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।
৪) না ঘষে, চেপে চেপে মুখের জল মুছে নিন। সকালে উঠে তফাত নিজেই বুঝতে পারবেন।
পুনশ্চ: খুব বেশি হলুদ মেশাবেন না, তাহলে ত্বকে হলুদের দাগ বসে যেতে পারে।
বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: এই সংক্রান্ত কোনও মতামত দ্য ওয়ালের নয়। দ্য ওয়াল স্বাস্থ্য / সাজগোজ সম্পর্কিত কোনও সম্পাদকীয় / সম্পাদক-নিয়ন্ত্রিত তথ্য, পরামর্শ প্রদান করে না। প্রদত্ত পরামর্শ ও তথ্য প্রয়োগের আগে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন। নিজের মতামতকে গুরুত্ব দিন।