যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা যৌথভাবে আয়োজন করবে ২০২৬ সালের আসর। তবে মেসি জানিয়ে দিয়েছেন, এবার সবটাই নির্ভর করছে ফিটনেস ও পুনরুদ্ধারের উপর।
.jpeg.webp)
লিওনেল মেসি
শেষ আপডেট: 28 October 2025 11:01
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২৬ বিশ্বকাপে (FIFA World Cup 2026) খেলবেন কি না—গুঞ্জরিত জল্পনায় ইতি টানলেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। জানালেন, আর্জেন্টিনার (Argentina) হয়ে আরেকবার বিশ্বজয় করতে মাঠে নামতে চান তিনি, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন শরীরের অবস্থা দেখে। অর্থাৎ, ইচ্ছে আছে, কিন্তু শর্তও স্পষ্ট—‘যদি শরীর সায় দেয়, তবেই…’
এমএলএস ক্লাব ইন্টার মায়ামির (Inter Miami) হয়ে খেলছেন মেসি। বয়স এখন ৩৮। এনবিসি নিউজকে (NBC News) দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপের মতো আসরে থাকা সত্যিই অসাধারণ অনুভূতি। আমি থাকতে চাই, ভালো থাকতে চাই এবং যদি জাতীয় দলের কাজে আসতে পারি, তাহলে সেটাই হবে সবচেয়ে বড় সৌভাগ্য!’ মেসির কথায়, ‘আগামী মরশুমে প্রি–সিজন শুরু হলে প্রতিদিন শরীর পর্যবেক্ষণ করব। যদি দেখি আমি পুরোপুরি ফিট, দলের কাজে লাগতে পারি, তবেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’
২০২২ সালে কাতারে (Qatar) বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্তিনা। সেই ঐতিহাসিক ট্রফি উঁচিয়ে ধরেছিলেন অধিনায়ক মেসি। আসছে বছর উত্তর আমেরিকায় (North America) অনুষ্ঠিত হতে চলা বিশ্বকাপে শিরোপা রক্ষার সুযোগ আসছে তাঁর সামনে। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা যৌথভাবে আয়োজন করবে ২০২৬ সালের আসর। তবে মেসি জানিয়ে দিয়েছেন, এবার সবটাই নির্ভর করছে ফিটনেস ও পুনরুদ্ধারের উপর।
তিনি বলেন, ‘বিশ্বকাপ এমন এক আসর, যেখানে খেলতে পারা মানেই স্বপ্নপূরণ। আমরা শেষবার জয় পেয়েছি। এবার যদি মাঠে নেমে ট্রফি রক্ষা করতে পারি, তাহলে তা অসাধারণ। তবে এটা সম্ভব হবে কেবল তখনই, যদি আমি শরীর ও মানসিকভাবে পুরোপুরি প্রস্তুত থাকি।’
২০০৪ সালে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক। বার্সেলোনার (Barcelona) জার্সি গায়ে মাত্র ১৭ বছর বয়সে লা লিগায় খেলা শুরু। দু’দশক পেরিয়েও লিওনেল মেসির আন্তর্জাতিক ফুটবলে অবদান ফুরনোর নয়। দেশের হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯৫ ম্যাচে ১১৪ গোল করেছেন তিনি। ২০২১ সালে বার্সেলোনা ছাড়ার পর যোগ দেন প্যারিস সাঁ জারমাঁ–তে (Paris Saint-Germain)। ২০২৩ সালে পাড়ি দেন যুক্তরাষ্ট্রে, ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলতে।
মার্কিন মুলুকে জীবন কেমন উপভোগ করছেন? মেসির উত্তর, ‘এখানকার জীবনযাপন শান্তিপূর্ণ। পরিবার নিয়ে দিন কাটাতে পারি, ছেলেমেয়েরা নিজেদের মতো বড় হচ্ছে। অনেকটা সময় থেকেছি বার্সেলোনায়। শহরটিকে ভীষণ মিস করি। কিন্তু মায়ামিও আমাদের জীবনকে উপভোগ্য করে তুলেছে।’