এই মামলা দায়ের করেন উদয়পুরের ইন্দিরা আইভিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় মুর্দিয়া (Ajay Murdia)। তাঁর অভিযোগ, প্রয়াত স্ত্রী ইন্দিরাকে নিয়ে একটি বায়োপিক নির্মাণের নামে উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করানো হয়, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।

শেষ আপডেট: 19 February 2026 17:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রায় ৩০ কোটি টাকার বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতারণার মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন চলচ্চিত্র নির্মাতা বিক্রম ভাট (Vikram Bhatt) ও তাঁর স্ত্রী শ্বেতাম্বরী ভাট। দেশের শীর্ষ আদালত তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেছে এবং একই সঙ্গে আর্থিক বিরোধ মীমাংসার জন্য মধ্যস্থতার পরামর্শও দিয়েছে।
মামলার মূল কারণ কী?
এই মামলা দায়ের করেন উদয়পুরের ইন্দিরা আইভিএফ-এর প্রতিষ্ঠাতা অজয় মুর্দিয়া (Ajay Murdia)। তাঁর অভিযোগ, প্রয়াত স্ত্রী ইন্দিরাকে নিয়ে একটি বায়োপিক নির্মাণের নামে উচ্চ মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৩০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করানো হয়, কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি।
এর আগে রাজস্থান হাইকোর্টে (Rajasthan High Court) জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। তবে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বে গঠিত বেঞ্চ সেই নির্দেশ বাতিল করে জামিন দেয়। Supreme Court of India পর্যবেক্ষণ করে জানায়, এ বিরোধ মূলত একটি বাণিজ্যিক লেনদেন সংক্রান্ত, যদিও এফআইআরে প্রতারণার অভিযোগ উল্লেখ রয়েছে। আদালত আশা প্রকাশ করেছে, উভয় পক্ষ সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করবে।
শুনানিতে ভাট দম্পতির পক্ষে সওয়াল করেন প্রবীণ আইনজীবী সিদ্ধার্থ দাভে এবং অভিযোগকারীর পক্ষে ছিলেন বিকাশ সিং। অভিযোগকারীর আইনজীবী আদালতে জানান, মুম্বইয়ে বিক্রম ভাটের বিরুদ্ধে পৃথক আরেকটি প্রতারণার মামলাও রয়েছে। তাঁর দাবি, প্রযোজনা সংস্থা আর্থিক চাপে রয়েছে এবং অতীত সুনামের ভিত্তিতে বিনিয়োগ সংগ্রহ করা হচ্ছিল।
অন্যদিকে ভাটের আইনজীবী বলেন, প্রাপ্ত অর্থ চলতি চলচ্চিত্র প্রকল্প সম্পূর্ণ করার কাজেই ব্যবহার করা হয়েছে। চারটি ছবির চুক্তি হয়েছিল, যার মধ্যে দুটি শেষ হয়েছে এবং তৃতীয়টি প্রায় ৭০ শতাংশ সম্পূর্ণ। হেফাজতে থাকলে বাকি কাজ শেষ করা সম্ভব হতো না বলেও আদালতে জানানো হয়।
গত বছর অভিযোগ দায়েরের পর রাজস্থান পুলিশ বিক্রম ও তাঁর স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। এবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁরা জামিনে মুক্ত হলেও আর্থিক বিরোধের নিষ্পত্তি এখন মধ্যস্থতার মাধ্যমে হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।