
সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকীতে অভিনব আলোচনা সভা সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটিতে।
শেষ আপডেট: 2 May 2024 21:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলা তো বটেই বিশ্ব চলচ্চিত্র জগতে তাঁর নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।
অস্কারজয়ী সেই প্রবাদপ্রতিম বিরল চিত্র পরিচালক সত্যজিৎ রায়ের ১০৩ তম জন্মবার্ষিকীতে এক অভিনব আলোচনা সভার আয়োজন করেছিল সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি।
'সত্যবাদী" শীর্ষক ওই আলোচনা সভায় বিরল প্রতিভার অধিকারী রায়ের সৃষ্টির বিভিন্ন দিক তুলে ধরলেন কবি সুবোধ সরকার, কবি শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিক, গীতিকার ও বক্তা চন্দ্রিল ভট্টাচার্য এবং সঙ্গীতশিল্পী উপল সেনগুপ্ত, এসএনইউর উপাচার্য ধ্রুবজ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, লেখিকা সঞ্চারী মুখোপাধ্যায়রা।
সত্যজিৎ রায়কে নিয়ে ১৯৭৫ সালে জাপানের জগদ্বিখ্যাত পরিচালক আকিরা কুরোসাওয়া বলেছিলেন, "সত্যজিৎ রায়ের সিনেমা না দেখা সূর্য এবং চাঁদ না দেখার সমান।" কুরোসাওয়া আরও বলেছিলেন, "পথের পাঁচালী দেখার সেই উত্তেজনা আমি কখনই ভুলতে পারি না।"
কুরোসাওয়ারের কথা উল্লেখ করে কবি সুবোধ সরকার বলেছিলেন “এটি বেশ লক্ষণীয় যে ফরাসি স্কুল এবং কলেজগুলিতে সত্যজিৎ রায়ের ফেলুদা ইংরেজির পরিবর্তে স্থানীয় ভাষায় পড়ানো হয়। এই সিদ্ধান্ত সত্যজিৎ এর কাজের সার্বজনীন আবেদনের উপর জোর দেয়।"
চন্দ্রিল ভট্টাচার্য পরিচালক রায়ের 'আগন্তুক'-এর প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বলেন, "এটা অবিশ্বাস্য যে রায়ের সিনেমা ৫০ বছর পরেও দর্শকদের মোহিত করে। বারবার দেখার পরও সেগুলো আবারও দেখতে ইচ্ছে করে, কারণ ওঁর পরিচালনায় তৈরি সিনেমা আজও ভীষণভা্বে জীবন্ত।"
কবি শ্রীজাত বলেন, "সত্যজিৎ কেবল একজন চলচ্চিত্র নির্মাতা নন বরং একজন সাহিত্যিকও। গল্পের সঙ্গে অসাধারণ সংলাপের মিশ্রণে তাঁর সিনেমা আজও দর্শকদের ভীষণভাবে টানে।"
শুধু সিনেমা তৈরি বা সংলাপ নয়,তাঁর স্কেচিং, পোস্টার ডিজাইনের নিজস্বতাও উঠে আসে এদিনের আলোচনায়।