Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'ভয় দেখিয়ে মুখ বন্ধ করা যাবে না', আইপ্যাক ডিরেক্টরের গ্রেফতারিতে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি অভিষেকেরভোটের মুখে ইডির বড় পদক্ষেপ! কয়লা পাচার মামলায় গ্রেফতার আইপ্যাক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেলমহাকাশে হবে ক্যানসারের চিকিৎসা! ল্যাবের সরঞ্জাম নিয়ে পাড়ি দিল নাসার ‘সিগনাস এক্সএল’সঞ্জু-রোহিতদের পেছনে ফেলে শীর্ষে অভিষেক! রেকর্ড গড়েও কেন মন খারাপ হায়দ্রাবাদ শিবিরের?আইপিএল ২০২৬-এর সূচিতে হঠাৎ বদল! নির্বাচনের কারণে এই ম্যাচের ভেন্যু বদলে দিল বিসিসিআইWest Bengal Election 2026 | হার-জিত ভাবিনা, তামান্না তো ফিরবেনা!সুস্থ সমাজ গড়াই লক্ষ্য: শহর ও মফস্বলে স্বাস্থ্য শিবিরের মাধ্যমে সাধারণের পাশে ডিসান হাসপাতালWest Bengal Election 2026 | আবেগের বশেই ‘হুমকি’ দিই শুভেন্দু ‘অপেরা’ করলে পারত!উত্তর কলকাতার অর্ধেক বুথই ‘অতি স্পর্শকাতর’, থাকছে ১০০টি মহিলা বুথও'৯০ লক্ষ না দিলে সেক্স করতে দেব না', বর রাজি না হওয়ায় বাড়িসুদ্ধ লোককে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা কনের

Asha Bhosle died: সুরের ছন্দে বাঁধা পড়েছিল দুই প্রাণ! আশা-পঞ্চমের রূপকথার প্রেম আজ শুধুই স্মৃতি

এক সাক্ষাৎকারে গায়িকা জানিয়েছিলেন, রাহুল দেব বর্মনই নাকি বারবার তাঁর পিছু নিতেন, তাঁর কণ্ঠের প্রশংসা করতেন। শেষমেশ রাজি হতে বাধ্য হন তিনি। ১৯৮০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন তাঁরা।

Asha Bhosle died: সুরের ছন্দে বাঁধা পড়েছিল দুই প্রাণ! আশা-পঞ্চমের রূপকথার প্রেম আজ শুধুই স্মৃতি

আশা ভোসলে-আরডি বর্মন

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 12 April 2026 13:33

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুরের জগতে তাঁর নাম উচ্চারণ হলেই আরেকটি নাম অবধারিতভাবে সামনে আসে— তাঁর জীবনসঙ্গী, কিংবদন্তি সুরকার আরডি বর্মন। তাঁদের প্রেমকাহিনি আজও মুখে মুখে ঘোরে অনেকের। আর আজ তাঁর প্রয়ানের ( Asha Bhosle passes away news) পর সেকথাই বলছেন তাঁদের সমসাময়িক শিল্পীরা। গান, সুর, তালের বাইরে সম্পর্কের ছন্দকেও কীভাবে অমলিন রেখেছিলেন, তা আজও অনেকের কাছে শেখার।

প্রথম দেখা, একেবারে সিনেমার মতো। একদিন এক তরুণ এসে অটোগ্রাফ চেয়েছিলেন তাঁর কাছে। জানিয়েছিলেন, রেডিওতে তাঁর গাওয়া মারাঠি নাট্যসঙ্গীত শুনেছেন। পাতলা চেহারা, ফ্যাকাসে মুখ, মোটা চশমা— এমনই ছিল সেই ছেলেটির চেহারা। ধীরে ধীরে আলাপ বাড়ে, বন্ধুত্ব গাঢ় হয়। পরে জানা যায়, পড়াশোনা মাঝপথে ছেড়ে দিয়েছেন সে ছেলে। সেই নিয়ে খানিক বকাও খেতে হয়েছিল তাঁকে। সেই তরুণই পরে হয়ে ওঠেন সুরের জগতের এক উজ্জ্বল নাম।

সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক আরও গভীর হয়। এক সাক্ষাৎকারে গায়িকা জানিয়েছিলেন, রাহুল দেব বর্মনই নাকি বারবার তাঁর পিছু নিতেন, তাঁর কণ্ঠের প্রশংসা করতেন। শেষমেশ রাজি হতে বাধ্য হন তিনি। ১৯৮০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন তাঁরা।

তার আগে দু’জনেরই ব্যক্তিগত জীবনে ঝড় বয়ে গিয়েছে। অল্প বয়সে প্রথম বিয়ে, পরিবার থেকে দূরত্ব— সব পেরিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছিল তাঁদের পথচলা।

তবে এই সম্পর্কও সবসময় মসৃণ ছিল না। আশির দশকের শেষ দিকে ব্যক্তিগত জীবনের নানা কারণে দূরত্ব তৈরি হয়। তবুও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা ও টান কখনও কমেনি। আলাদা থাকলেও নিয়মিত দেখা-সাক্ষাৎ ছিল। ১৯৯৪ সালে সুরকারের প্রয়াণে সেই অধ্যায়ের ইতি ঘটে।

শুধু ব্যক্তিগত জীবন নয়, সঙ্গীতজগতেও তাঁদের যুগলবন্দি আজও শ্রোতাদের মনে অমলিন। একাধিক কালজয়ী গান তৈরি হয়েছে তাঁদের হাত ধরে। গায়িকার কথায়, তিনি এমন এক মানুষ ছিলেন, যিনি হিরে-জহরতকে তুচ্ছ ভাবতেন, কিন্তু রেকর্ডকে মনে করতেন অমূল্য সম্পদ। তাঁর সৃষ্টির ধরণ ছিল সময়ের থেকে অনেক এগিয়ে।

আট দশকেরও বেশি সময় ধরে সঙ্গীতজগতে সক্রিয় এই গায়িকা অসংখ্য ভাষায় গান গেয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার, রাজ্য পুরস্কার, এমনকি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতিও। কিন্তু তাঁর জীবনের এক বড় অধ্যায় জুড়ে রয়েই গিয়েছেন সেই সুরকার— যাঁর সঙ্গে মিলেই তৈরি হয়েছিল অমর জুটি।


```