প্রয়াত আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)। রবিবার সকালে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
.jpg.webp)
মুখ্যমন্ত্রীর শোকবার্তা
শেষ আপডেট: 12 April 2026 13:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রয়াত আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle)। রবিবার সকালে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি (Asha Bhosle died)। তাঁর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, 'আশা ভোঁসলে (Asha Bhosle) ছিলেন এক অসাধারণ সঙ্গীত প্রতিভা, যিনি বহু দশক ধরে তাঁর সুরেলা কণ্ঠে শ্রোতাদের মুগ্ধ করে গিয়েছেন। তিনি শুধু হিন্দি নয়, বাংলা গানেও সমান জনপ্রিয় ছিলেন এবং বাংলার মানুষের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন।'
Profoundly saddened by the demise of the great musical genius Asha Bhosle.
She has been an inspiring and mesmerising singer who reigned over our hearts for generations.
She sang many Bengali songs too, and is incredibly popular in Bengal also. We could confer our highest…— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) April 12, 2026
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) আরও উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান ‘বঙ্গবিভূষণ’ (Banga Bibhushan) প্রদান করা হয়েছিল। সেই সময় তাঁর অবদানকে বিশেষভাবে স্বীকৃতি জানানো হয়েছিল।
মুখ্যমন্ত্রী শোকবার্তায় বলেন, আশা ভোঁসলের প্রয়াণে তিনি গভীরভাবে মর্মাহত। তাঁর পরিবার, সঙ্গীত জগতের সহকর্মী এবং বিশ্বের অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি তিনি আন্তরিক সমবেদনা জানিয়েছেন।
শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। রবিবার সকালে না ফেরার দেশে পাড়ি দেন কিংবদন্তি শিল্পী।
১৯৩৩ সালের ৮ই সেপ্টেম্বর মহারাষ্ট্রের এক সাঙ্গলি রাজ্যে সঙ্গীতের আবহে জন্ম আশার। বাবা পণ্ডিত দীননাথ মঙ্গেশকর ছিলেন ক্ল্যাসিকাল ও নাট্য সংগীতের দিকপাল। মা সেবন্তীর কোল আলো করে আসা সেজো সন্তান ছিলেন আশা। লতা, মীনা, আশা, ঊষা এবং ছোট ভাই হৃদয়নাথ— মঙ্গেশকর পরিবারের পাঁচ ভাইবোনের শৈশব কেটেছিল গোয়ার মঙ্গেশী গ্রামের মাটির ঘ্রাণ আর সংগীতের মূর্ছনায়।
মারাঠি মেয়ে হয়েও আশা ভোঁসলে ছিলেন বাঙালির পরম আপন। তাঁর উচ্চারণে রবীন্দ্রসঙ্গীত কখনও মনে হতে দেয়নি যে বাংলা তাঁর মাতৃভাষা নয়। 'জগতের আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ' বা 'এসো শ্যামল সুন্দর' শুনে আপ্লুত হয়েছে আপামর বাঙালি।
পুজোর প্যান্ডেল মানেই ছিল আশার সেই অমোঘ কণ্ঠ, 'চোখে চোখে কথা বলো' বা 'মাছের কাঁটা খোপার কাঁটা'। সুধীন দাশগুপ্ত ও নচিকেতা ঘোষের সুরে তাঁর গাওয়া আধুনিক গানগুলো আজও বাঙালির ড্রয়িংরুমের সম্পদ।