হেমার সঙ্গে তাঁর পুরনো দিনের কথাও বলেছেন সায়রা বানু। আর দু'জনের স্মৃতিতেই জড়িয়ে আছেন দিলীপ কুমার।

শেষ আপডেট: 19 August 2025 14:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বলিউডের সুন্দরী মোহময়ী এক নম্বর নায়িকার তালিকায় এই দুই অভিনেত্রীর নাম চিরকাল থাকবে। তাঁরা হলেন সায়রা বানু ও হেমা মালিনী। সায়রা বানুর পরবর্তী যুগের নায়িকা ছিলেন হেমা। হেমার শুরুর জীবনে সায়রার অনেক অবদান ছিল। সে কথা আজও ভোলেননি হেমা। দু'জনে খুব ভাল বন্ধুও। জন্মাষ্টমীর দিন সায়রার বাড়িতে বহু যুগ পর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এলেন হেমা। সেই সাক্ষাতের ছবি নিজের সামাজিক মাধ্যমে ভাগ করে নিলেন সায়রা বানু।
শুধু তাই নয়, হেমার সঙ্গে তাঁর পুরনো দিনের কথাও বলেছেন সায়রা বানু। আর দু'জনের স্মৃতিতেই জড়িয়ে আছেন দিলীপ কুমার। বলিউড হিরো এবং সায়রার স্বর্গীয় স্বামী।
বয়স আশি পার করা সায়রা লিখলেন 'হেমা আর আমি বহুদিন ধরেই দেখা করার চেষ্টা করছিলাম কিন্তু জীবনের নানা ব্যস্ততা আমাদের এক হতে দিচ্ছিল না। শেষ অবধি আমরা এক হলাম। হেমা আমার দরজায় এসে কড়া নাড়ল নিজেই। আমরা নস্টালজিয়ায় ভেসে বেশ কয়েক ঘন্টা একসঙ্গে কাটালাম। পুরনোদিনের মজার নানা ঘটনা ভেবে আমরা খুব হাসাহাসি করলাম। জন্মাষ্টমীর দিন মন ভরে গেল আমাদের দু'জনের।'
সায়রার কথায় আরও উঠে এল শুরুর জীবনের কথা। তিনি বলেন '১৯৬৬ সালে রাজ কাপুর সাহেবের 'দিওয়ানা' ছবির সেটে হেমার সাথে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। হেমা তাঁর প্রযোজক অনন্তস্বামীর সাথে চেম্বুরের আরকে স্টুডিওতে এসেছিলেন এবং আমার মনে আছে হেমার সুন্দর চেহারা দেখে আমি তাৎক্ষণিক ভাবে মুগ্ধ হয়েছিলাম। এরপরই, আমরা আবার দেখা করি যখন আমরা একই সাথে দক্ষিণের মনোরম কৃষ্ণ রাজ সাগর বাঁধে শুটিং করছিলাম। আমাদের ঘরগুলো পাশাপাশি ছিল, এবং সন্ধ্যায় আমার মা, হেমা, তার মা এবং আমি বড় বারান্দায় একসাথে বসে সৌন্দর্যের নানা ব্যক্তিগত কথা ভাগ করে নিতাম। আমি হেমাকে মনে করালাম যে আমার আম্মা কীভাবে সতেজতা এবং খুশবুর জন্য হেমার চুলে লোবান লাগিয়ে দিয়েছিলেন হেমা সেসব মনে করে খুব হেসেছিল।'

সায়রা বানুর মা ছিলেন তিনের দশকের বিখ্যাত অভিনেত্রী নাসিম বানু। যিনিও একটি যুগ।
শুধু তাই নয়, দিলীপ কুমার আর সায়রা বানু প্রথম মাদ্রাজ প্রেসের কাছে হেমা মালিনীর পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। সায়রার আরও ভাল লাগা একটি রিয়্যালিটি শোতে তিনি হেমা-ধর্মেন্দ্রকে একসঙ্গে নাচতে দেখেন। ধর্মেন্দ্র-হেমার জুটির রসায়ন আজও অটুট বলেন সায়রা বানু।