তরুণী জানিয়েছেন, তিনি এমন কাউকে বিয়ে করবেন না যে নিজের বিয়ের মতো বিশেষ দিনেও নম্রতা বজায় রাখতে পারে না।

ছবি- এআই
শেষ আপডেট: 19 May 2025 18:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ের অনুষ্ঠানে অতিথিদের ভিড়। বরের অপেক্ষায় বসে রয়েছেন কনে। বরযাত্রী নিয়ে অনুষ্ঠান বাড়িতে এলেন হবু বর। মণ্ডপে যাওয়ার সময়েই ঘটল বিপত্তি। বিয়ে বাতিল করে দিলেন কনে। আজব কাণ্ড উত্তরপ্রদেশে (UP Bride Cancelled Wedding)।
উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুলহেতা গ্রামের বাসিন্দা পেশায় চাষি কেশরী লালের মেয়ে শশীর সঙ্গে অমিত রানার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। অভিযোগ, বিয়ের দিন কনের বাড়িতে আসার পর থেকেই অদ্ভুত আচরণ করছিলেন অমিত। নিয়ম-রীতি শুরু হওয়ার সময়েই তিনি হেলে পড়ছিলেন। কথাও জড়িয়ে যাচ্ছিল। মণ্ডপে যেতে গিয়ে পা টলে মাটিতেও পড়ে যান। নেশার ঘোর এতটাই ছিল যে কারও সাহায্য ছাড়া উঠতেও পারছিলেন না।
মদ্যপ অবস্থায় বিয়ে করতে এসেছে পাত্র! রেগে গিয়ে তখনই বিয়ে বাতিল করেন কনে। এখানেই শেষ নয়, তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে দ্রুত থানাতেও ছুটে যান। পুলিশ সূত্রে খবর, তরুণী জানিয়েছেন, তিনি এমন কাউকে বিয়ে করবেন না যে নিজের বিয়ের মতো বিশেষ দিনেও নম্রতা বজায় রাখতে পারে না। পুলিশ অভিযুক্ত যুবককে গ্রেফতার করে।
কনের পরিবারের অভিযোগ, রাত ১১ টার সময় বরযাত্রী এসেছিল। তাঁরা সকলেই মত্ত অবস্থায় ছিলেন। জানা যায়, অমিতের পরিবারের তরফে বারবার বিয়ে বাতিল না করার অনুরোধ করা হয়। তাঁদের দাবি, অমিতের বন্ধুরাই পানীয়র সঙ্গে মদ মিশিয়ে তাঁকে খাওয়ানো হয়েছিল। তবে নিজেদের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন তরুণী ও তাঁর পরিবার।
খাবার পরিবেশনে দেরি হওয়ায় বিয়ে বাতিল করেন বর। কয়েকমাস আগেই উত্তরপ্রদেশের এই ঘটনা সামনে এসেছিল। কনের পরিবার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। বিয়ে শুরু হওয়ার আগেই দেড় লক্ষ টাকার যৌতুকও দেওয়া হয়েছিল।
জানা গিয়েছিল, অতিথিরা খেতে বসলে মেহতাবকে (বর) খাবার পরিবেশন করতে দেরি হয়। এনিয়ে তাঁর বন্ধুরা হাসি ঠাট্টা করছিলেন। এরপরই রেগে গিয়ে বিয়ে বাতিল করে দেন মেহতাব। কনের পরিবারের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগও ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরের দিনই নিজের চাচাতো বোনকে বিয়ে করেছিলেন মেহতাব। তাঁর বিয়ের কথা জানতে পেরেই পুলিশে অভিযোগ জানিয়েছিলেন কনের পরিবার।
গতবছরের ডিসেম্বরে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh Incident) আরও একটি ঘটনা খবরের পাতায় জায়গা করে নিয়েছিল। বিয়ের আসরে দেরিতে পৌঁছানোয় বিয়ে বাতিল করেন কনের বাবা। এমনকি পাত্রকে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে বিয়ের সমস্ত খরচ আদায়ের চেষ্টাও করা হয়েছিল। এরপর তিনদিন নিখোঁজ ছিলেন পাত্র। পরে অবশ্য জানা গিয়েছিল, পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে বাড়ি পৌঁছে দেয়।