সম্প্রতি বন্দে ভারত ট্রেনে তাঁর আলাপ হয় ১৬ বছরের এক কিশোর প্রতিভা রাউল জন আজুর সঙ্গে—যিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যতিক্রমী কাজ করে চলেছেন।

এক্স পোস্ট শশী তারুরের
শেষ আপডেট: 7 January 2026 11:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat latest news) যাত্রাপথে হঠাৎই এক অনন্য ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার মতো সাক্ষাতের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাগ করে নিলেন কংগ্রেস সাংসদ শশী তারুর (Shashi Tharoor)। এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ করা একটি পোস্টে তিনি জানান, সম্প্রতি বন্দে ভারত ট্রেনে তাঁর আলাপ হয় ১৬ বছরের এক কিশোর প্রতিভা রাউল জন আজুর সঙ্গে—যিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যতিক্রমী কাজ করে চলেছেন।
তারুর লেখেন, বন্দে ভারতের (Vande Bharat) যাত্রা সাধারণতই মনোরম হলেও, এ বার তা ছিল “অসাধারণভাবে আলোকিত”। সেই যাত্রাপথেই তিনি কথা বলেন তরুণ এআই গবেষক রাউলের সঙ্গে। আলোচনায় উঠে আসে, কীভাবে ভবিষ্যতের এআই প্রযুক্তির কোনও সীমান্ত থাকা উচিত নয় এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে—এই প্রযুক্তিকে ভারতের বৈচিত্র্যময় সমাজের স্থানীয় ভাষায় কথা বলতে শিখতে হবে।
Encounters on the Vande Bharat are often pleasant, but rarely this illuminating!
I had the pleasure of meeting Raul John Aju, a 16-year-old tech whiz who is doing incredible work in the field of Artificial Intelligence. We spoke about the necessity for AI to transcend borders… pic.twitter.com/xyaUfPgrkk— Shashi Tharoor (@ShashiTharoor) January 7, 2026
পোস্টে শশী তারুর বিশেষভাবে উল্লেখ করেছেন, রাউল ও তাঁর টিম ইতিমধ্যেই এমন এআই সিস্টেম তৈরি করছে, যা মালয়ালম, হিন্দি ও উর্দু ভাষায় ভয়েস প্রসেসিং করতে সক্ষম। রাউলের এই দলে রয়েছে তাঁর বন্ধু ইশানও—যার নাম শুনে থারুর মজার ছলে বলেন, এই নাম তাঁর নিজের পরিবারেও বেশ পরিচিত। আসলে থারুরের ছেলের নাম ঈশান।
দেশের তরুণ প্রজন্মের এই উদ্ভাবনী ক্ষমতা ও আত্মবিশ্বাস দেখে তিনি যে কতটা আশাবাদী, তাও স্পষ্ট করে জানিয়েছেন কংগ্রেস সাংসদ (Congress MP)। তাঁর কথায়, “এই ধরনের মেধা ও উদ্যম আমাদের যুবসমাজের মধ্যে দেখা সত্যিই হৃদয়স্পর্শী। ভারতের প্রযুক্তিগত ভবিষ্যৎ নিয়ে এতে নতুন করে আশা জাগে।”
পোস্টের শেষাংশে রাউল ও তাঁর দলের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে শশী তারুর লেখেন, “এই তরুণ মস্তিষ্কগুলিই ভারতের একবিংশ শতাব্দীর উন্নয়নের গল্প লিখবে”। প্রযুক্তি ও ভাষার মেলবন্ধনে যে ভবিষ্যৎ ভারতের হাত ধরেই নতুন দিশা পেতে পারে—এই সাক্ষাৎ যেন তারই এক ঝলক দেখাল ভন্দে ভারতের কামরায়।