
শেষ আপডেট: 15 December 2023 13:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অক্সিজেন স্যাচুরেশন লেভেল তলানিতে পৌঁছেছিল। প্রবল শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন বছর বিয়াল্লিশের রোগী। পরীক্ষা করে ডাক্তাররা দেখেন ‘হোয়াইট লাং সিন্ড্রোম’ হয়েছে ওই রোগীর। এমন এক ধরনের নিউমোনিয়া যা অতি বিরল। চিনেও এই ধরনের নিউমোনিয়া ছড়িয়েছে বলে খবর সামনে এসেছে।
দিল্লির ফোর্টিসে ভর্তি করা হয় ওই ব্যক্তিকে। ডা. অভি কুমার ও ডা. রজত আগরওয়াল জানিয়েছেন, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, গলা ব্যথা ও ত্বকে সংক্রমণ হয়েছিল ওই ব্যক্তির। শ্বাস নিতে কষ্ট হচ্ছিল তাঁর। পরীক্ষা করে ধরা পড়ে এইচ১এন১ সংক্রমণের সঙ্গেই অ্যাকিউট রেসপিরেটারি ডিসট্রেস সিন্ড্রোম হয়েছে ওই রোগীর। অক্সিজেন স্যাচুরেশন লেভেল কমতে শুরু করেছে।
পরিস্থিতি এতটাই হাতের বাইরে চলে যায় যে ইকমো সাপোর্টে রাখতে হয় ওই রোগীকে। সেই সঙ্গেই অক্সিজেন থেরাপি ও অ্যান্টিবায়োটিক থেরাপি চালিয়ে যান ডাক্তারবাবুরা। তবে এক মাস চিকিৎসার পরে ওই ব্যক্তির অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গেছে।
করোনার পরে আরও এক অজানা রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ফুসফুসের এই রোগ যে মহামারির আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কাও করছেন স্বাস্থ্য আধিকারিকরা। অনুমান চিন থেকেই নাকি এই বিশেষ রোগটি ছড়াচ্ছে। সম্প্রতি ওহায়ো অঞ্চলের বহু শিশু আক্রান্ত হয়েছে এই ধরনের নিউমোনিয়ায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ‘হোয়াইট লাং সিন্ড্রোম’ রোগের প্যাথোজেন কোনও নতুন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়া নয়। মাইকোপ্লাজমা নিউমোনিয়া নামে এক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ‘হোয়াইট লাং সিন্ড্রোম’ রোগের কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে। ডাক্তাররা বলছেন, শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা মারাত্মকভাবে কমে যাচ্ছে, শ্বাসকষ্ট হচ্ছে রোগীর। এমনকী অ্যান্টিবায়োটিকেও সারছে না এই রোগ। ফুসফুসের উপর সাদা সাদা দাগ দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘস্থায়ী এই রোগ থাকলে ফুসফুস বিকল হয়ে প্রাণ সংশয়ের ঝুঁকিও আছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।