মাদ্রাসার সিনিয়র ছাত্রদের বিরুদ্ধে জুনিয়রদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনবে বলে হুমকি দিয়েছিল সে।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 7 September 2025 23:39
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ওড়িশার মাদ্রাসায় ঘটে যাওয়া এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই মাদ্রাসারই ১২ বছরের এক ছাত্রকে খুন করে দেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে রাখার অভিযোগে ৫ জন নাবালক ছাত্রকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে গত ২ সেপ্টেম্বর, নায়াগড় জেলার রণপুর থানার অন্তর্গত একটি মাদ্রাসায়। পুলিশ ৩ সেপ্টেম্বর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে। এরপর শনিবার পাঁচজন অভিযুক্তকে (বয়স ১২ থেকে ১৫ বছর) হেফাজতে নেয় পুলিশ।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুবাস চন্দ্র পান্ডা জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃত কিশোর কটকের বাদাম্বা এলাকার বাসিন্দা। মাদ্রাসার সিনিয়র ছাত্রদের বিরুদ্ধে জুনিয়রদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে, তা প্রকাশ্যে আনবে বলে হুমকি দিয়েছিল সে। গত ছয় মাস ধরে এক সিনিয়র ছাত্র তার উপর যৌন নির্যাতন চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ।
পুলিশ জানিয়েছে, ৩১ অগস্টও তাকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল। অবশেষে ২ সেপ্টেম্বর প্রধান অভিযুক্ত এক সিনিয়র ছাত্র তার আরও চার সহযোগীকে নিয়ে ওই কিশোরকে শারীরিক নির্যাতন করে। তারপর তার মুখ চিরতরে বন্ধ করতে শ্বাসরোধ করে খুন করে। সেই খুনের ঘটনার প্রমাণ লুকোতে দেহ সেপটিক ট্যাঙ্কে ফেলে দেওয়া হয়।
প্রথমে ঘটনাটি নিছক দুর্ঘটনা মনে হলেও পরবর্তী সময়ে যত তদন্ত এগিয়েছে, আস্তে আস্তে প্রকাশ পায়, এটি নৃশংস একটি খুন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১০৩ ধারায় খুনের অভিযোগ এবং পকসো আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পাঁচ অভিযুক্তের মধ্যে তিনজনের বিরুদ্ধে খুনের মামলা, একজনের বিরুদ্ধে খুন ও পকসো মামলা এবং অপরজনের বিরুদ্ধে শুধু পকসো মামলার অভিযোগ আনা হয়েছে।