Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালী

বিচারকরা কেন ফেসবুকে! সন্ন্যাসীর মতো জীবনযাপন ও অক্লান্ত পরিশ্রমের নিদান দিল সুপ্রিম কোর্ট

শীর্ষ আদালত (Supreme Court) জানিয়েছে, বিচারকদের জীবনে দেখনদারির কোনও জায়গা নেই। তাঁদের উচিত সন্ন্যাসীর মতো জীবনযাপন করা এবং ঘোড়ার মতো নিষ্ঠাভরে কাজ করা।

বিচারকরা কেন ফেসবুকে! সন্ন্যাসীর মতো জীবনযাপন ও অক্লান্ত পরিশ্রমের নিদান দিল সুপ্রিম কোর্ট

সুপ্রিম কোর্ট।

শেষ আপডেট: 13 December 2024 08:31

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিচারকরা সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারে সংযমী হোন এবং অনলাইনে তাঁদের রায় বা মতামত প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন—এমনই এক সতর্কবার্তা জারি করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, বিচারকদের জীবনে দেখনদারির কোনও জায়গা নেই। তাঁদের উচিত সন্ন্যাসীর মতো জীবনযাপন করা এবং ঘোড়ার মতো নিষ্ঠাভরে কাজ করা।

বিচারপতি বিবি নাগরত্না এবং এন কোটিশ্বর সিংহের বেঞ্চ এই মন্তব্য করে বলে, 'বিচার ব্যবস্থার মাথায় বসে থাকা আইনরক্ষকদের ফেসবুক ব্যবহার করাই উচিত নয়। তাঁদের রায়ের বিষয়ে কোথাও কোনও মন্তব্য করা ঠিক নয়। কারণ, আগামী দিনে সেই রায় যদি কোনও মামলায় উত্থাপিত হয়, তবে বিচারকের আগের মন্তব্যের ভিত্তিতে পক্ষপাতের অভিযোগ উঠতে পারে।'

সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের দ্বারা বরখাস্ত হয়েছেন দুই মহিলা বিচারক, অদিতি কুমার শর্মা এবং সরিতা চৌধুরী। মামলা সংক্রান্ত বিষয় ফেসবুকে পোস্ট করার অভিযোগ রয়েছে তাঁদের বিরুদ্ধে। সেই মামলা নিয়ে শুনানির সময়ে সুপ্রিম কোর্ট এই মন্তব্য করে। আদালত বলে, 'সোশ্যাল মিডিয়া একটি উন্মুক্ত প্ল্যাটফর্ম, খোলা বাজারের মতো। বিচারকদের সন্ন্যাসীর মতো জীবন যাপন করতে হবে এবং অক্লান্ত পরিশ্রম করতে হবে। ফেসবুক থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি।'

২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে ছ'জন মহিলা বিচারকের বরখাস্তের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টি গ্রহণ করে সুপ্রিম কোর্ট। ওই ছ'জনের মধ্যে চার জনকে শর্তসাপেক্ষে পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত নেয় মধ্যপ্রদেশ আদালত। তবে বাকি দু'জনের মামলা এখন সুপ্রিম কোর্টে।

সুপ্রিম কোর্টের বক্তব্যকে সমর্থন করে মামলায় অংশ নেওয়া সিনিয়র আইনজীবীও বলেন, বিচারক বা বিচারকর্মীদের ফেসবুকে বিচারসংক্রান্ত কাজের কোনও বিষয় শেয়ার করা উচিত নয়।

অভিযুক্ত বিচারক অদিতি শর্মার পারফরম্যান্স সম্পর্কিত হাইকোর্টের এক রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ২০১৯-২০ সাল থেকে তার পারফরম্যান্স 'খুব ভাল' এবং 'ভালো' থেকে 'গড়পড়তা' এবং 'খারাপ'-এর দিকে নেমে যায়। ২০২২ সালে তাঁর মামলার নিষ্পত্তির হার ছিল খুব কম।

তবে অদিতি শর্মা হাইকোর্টে জানান যে, তিনি ২০২১ সালে মিসক্যারেজের শিকার হন এবং তাঁর ভাই ক্যানসারে আক্রান্ত হন, যা তাঁর কাজের ওপর প্রভাব ফেলেছিল। ফেসবুকের অতিসক্রিয়তাও সেই কারণেই ঘটেছিল।


```