4.png)
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 26 April 2025 23:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এফআইআইটি-জেইই (FIIT-JEE) মামলায় বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি), লখনউ, উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর (নয়েডা), দিল্লি ও হরিয়ানার গুরুগ্রামের মোট সাতটি স্থানে তল্লাশি চালায়। শনিবার ইডি-র আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই তল্লাশিতে জানা গিয়েছে, ব্যাচগুলির ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে প্রায় ২০৬ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছিল। শিক্ষা পরিষেবা দেওয়ার জন্য। যা পরে দেওয়া হয়নি।
ইডি আধিকারিকদের দাবি, এই বিপুল অর্থ ব্যক্তিগত এবং অননুমোদিত ব্যবহারের জন্য সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, শিক্ষকদের বেতন বকেয়া রয়ে গিয়েছিল। এর ফলে গাজিয়াবাদ, লখনউ, মীরাট, নোয়েডা, প্রয়াগরাজ, দিল্লি, ভোপাল, গোয়ালিয়র, ইন্দোর, ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম, মুম্বই-সহ একাধিক শহরে মোট ৩২টি কোচিং সেন্টার হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এতে পড়ুয়া এবং অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ এবং ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
ইডি আধিকারিকরা জানান, এই তল্লাশি অভিযান আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনের (পিএমএলএ), ২০০২-এর আওতায় পরিচালিত হয়েছে। তদন্তকারীরা আরও জানান, লখনউ, নোয়েডা, দিল্লি, ভোপাল এবং অন্যান্য জায়গায় এফআইআইটি-জেই এবং সংস্থার শীর্ষ কর্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক এফআইআর (FIR) দায়ের হওয়ার পর এই তদন্ত শুরু হয়।
ইডি-র প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, তল্লাশি চালানো হয়েছিল এফআইআইটি-জেইই কোচিং ইনস্টিটিউটের পরিচালক ডি কে গোয়েল, সিইও, সিওও এবং সিএফও-র বাসভবনে।