
ইন্দোর বিজেপির সভাপতি চিন্টু বর্মা। ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 1 October 2024 11:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি জোটের মহারাষ্ট্র সরকার গোরুকে 'রাজ্যমাতা'র স্থান দেওয়ার পরপরই হিন্দুদের নির্বাধায় গোমূত্র পানের নিদান দিলেন গেরুয়া শিবিরের এক নেতা। নবরাত্রি উপলক্ষে বাংলার বাইরে বিশেষত গোবলয়ে পালিত হয় গরওয়া (ভাষান্তরে গরবা)। মধ্যপ্রদেশের এক বিজেপি নেতার ফতোয়া গরবা মণ্ডপে ঢোকার আগে গোমূত্র পান করা উচিত।
গোমূত্রে সোনা থাকা থেকে দেশীয় হিন্দুত্ববাদী রাজনীতিতে প্রায়শই গোরু ও গোমূত্রকে অস্ত্র করা চলছে। বিভিন্ন সময়ে বিজেপির বিভিন্ন নেতা গোমূত্র নিয়ে নানান তত্ত্বকথা শুনিয়েছেন। এবার ইন্দোর বিজেপির জেলা সভাপতির নিদান, যদি কেউ হিন্দু হন, তাহলে গোমূত্র পানে তাঁর আপত্তি থাকার কথা নয়। নবরাত্রি উদ্যোক্তাদের তিনি জানিয়েছেন, গরবা মণ্ডপে ঢোকার আগে উৎসবে অংশগ্রহণকারীদের যেন গোমূত্র পান করানো হয়।
চিন্টু বর্মা নামে ইন্দোরের বিজেপি সভাপতি সাংবাদিকদের সামনে বলেন, যদি কেউ সাচ্চা হিন্দু হন, তাহলে তাঁর নিশ্চই গোমূত্র পানে আপত্তি থাকার কথা নয়। তাঁর কথায়, আমরা নবরাত্রি উদ্যোক্তাদের বলেছি, ভক্তদের মণ্ডপে ঢোকার আগে গোমূত্র দিয়ে আচমন করিয়ে নিতে।
এই কাজের কারণ কী প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আধার কার্ড বদলে নেওয়া যায়। কিন্তু, যদি কেউ হিন্দু হন, তাহলে তাঁকে গরবা মণ্ডপে ঢোকার আগে গোমূত্র দিয়ে আচমন করে নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি থাকার কথা নয়। বিজেপির ইন্দোর জেলা সভাপতির এরকম আজগুবি ফতোয়া নিয়ে স্বভাবতই প্রশ্ন তুলেছে রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেস।
কংগ্রেসের অভিযোগ, এটা বিজেপির মেরুকরণ রাজনীতির আরেকটি দৃষ্টান্ত। রাজ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র নীলাভ শুক্লা বলেন, বিজেপি নেতারা গো-রাজনীতিকে আরও একবার অস্ত্র করতে চাইছেন। রাজনীতির মেরুকরণের জন্য ইচ্ছাকৃতভাবে গোমূত্র দিয়ে আচমন করার দাবি তুলছেন। তিনি বিজেপি নেতাদের কাছে গোমূত্র পান করার ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার আর্জি জানিয়েছেন।