৫ এপ্রিল রাতের ঘটনা। অভিযোগ, তিতু পাল নামে এক যুবকের সঙ্গে গত ছ’মাস ধরে ফোনে যোগাযোগ ছিল ওই কিশোরীর। তারপরই এই ঘটনা হয়।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 13 April 2026 15:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রেমের প্রলোভন, তারপর পরিকল্পনা করে গণধর্ষণ ১৫ বছরের কিশোরীকে। উত্তরপ্রদেশের বিজনৌর জেলার ঘটনা। ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্ত-সহ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি একজনকে।
গত ৫ এপ্রিল রাতের ঘটনা। অভিযোগ, তিতু পাল নামে এক যুবকের সঙ্গে গত ছ’মাস ধরে ফোনে যোগাযোগ ছিল ওই কিশোরীর। হরিদ্বারে মোটরসাইকেল মেকানিক হিসেবে কাজ করত সে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় মোট ছ’টি মামলা রয়েছে, যদিও যে কথা জানত না কিশোরী। অজানা ছিল তার অতীতও।
অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ এপ্রিল দিনের বেলায় কিশোরীর সঙ্গে দেখা করে তিতু। সে একটি ঘুমের ওষুধ দিয়ে নির্দেশ দেয়, রাতে পরিবারের খাবারের সঙ্গে তা মিশিয়ে দিতে, যাতে সকলে অজ্ঞান হয়ে পড়ে। পাশাপাশি বাড়ি থেকে গয়না ও নগদ টাকা নিয়ে তার সঙ্গে পালানোর কথা বলে।
সেই মতো রাতে পরিবারের খাবারে ওষুধ মিশিয়ে দেয় কিশোরী। খাবার খাওয়ার পর অজ্ঞান হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। এরপর গভীর রাতে বাড়িতে আসে তিতু। কিশোরী সোনার-রুপোর গয়না এবং ১০ হাজার টাকা নিয়ে তার সঙ্গে বেরিয়ে যায়।
পথে তিতু জানায়, তার কয়েকজন বন্ধু কাছেই রয়েছে, তাদের সঙ্গে দেখা করে তারপর এলাকা ছাড়বে। সেই মতো গ্রামের কাছে একটি ব্যাঙ্কোয়েট হলের ঘরে নিয়ে যাওয়া হয় কিশোরীকে। অভিযোগ, সেখানে তিতু ও তার তিন সঙ্গী মিলে তাকে গণধর্ষণ করে।
ঘটনার পর গয়না ও নগদ টাকা নিয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। কোনওভাবে বাড়ি ফিরে পরিবারের সদস্যদের পুরো ঘটনা জানায় কিশোরী। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। গ্রামে যান উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও, নেওয়া হয় বয়ান।
মেয়েটির মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু হয়েছে। তিতু পাল ও তার দুই সঙ্গীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। রিতেশ নামের একজনকে এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। মনে করা হচ্ছে, কিশোরীর সোনা গয়না সব তার কাছেই আছে। তল্লাশি শুরু হয়েছে।