রাজপরিবারের নতুন সদস্য আর্চির জন্য রুপোর গয়না যাচ্ছে এ দেশ থেকে! কারা পাঠাচ্ছে, জানেন?
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্রিটেনের রাজপরিবারে খুশির আবহ বেশ কয়েক দিন ধরেই। ছোট্ট রাজপুত্র আর্চি জন্ম নিয়েছে প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগানের কোলে। সারা দুনিয়ার মিডিয়ার নজর সেই সদ্যোজাত পুত্রসন্তানের দিকেই। এবং সেই আনন্দের রেশ সাতসমুদ্র তেরো নদী
শেষ আপডেট: 13 May 2019 09:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ব্রিটেনের রাজপরিবারে খুশির আবহ বেশ কয়েক দিন ধরেই। ছোট্ট রাজপুত্র আর্চি জন্ম নিয়েছে প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগানের কোলে। সারা দুনিয়ার মিডিয়ার নজর সেই সদ্যোজাত পুত্রসন্তানের দিকেই। এবং সেই আনন্দের রেশ সাতসমুদ্র তেরো নদী পেরিয়ে আছড়ে পড়ছে ভারতের উপকূল রাজ্যেও!
প্রিন্স হ্যারি ও তাঁর স্ত্রী মেগানের সদ্যোজাত পুত্র আর্চির জন্য রুপোর গয়না পাঠাবে বলে জানিয়েছে মুম্বইয়ের ডাব্বাওয়ালা অ্যাসোসিয়েশন। অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান সুভাষ তালেকরের কথায়, "আমাদের বন্ধু প্রিন্স চার্লস ঠাকুর্দা হওয়ায় আমরা খুব খুশি। সদ্যোজাতের জন্য ঐতিহ্য মেনে রুপোর তৈরি কোমরবন্ধ, নূপুর ও রিস্টব্যান্ড উপহার দেওয়া হবে। অর্থের কারণে সোনা উপহার দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তা ছাড়া সদ্যোজত শিশুকে কোনও গয়না পরতেও দেওয়া হবে না। তবে ওঁদের পরিবারে আমাদের এই ক্ষুদ্র উপহারটি তো জায়গা পাবে। এতেই আমরা খুশি।'

সুভাষ তালেকরের এক বন্ধু তথা এক ডাব্বা-ব্যবসায়ী পবন আগরওয়াল জানিয়েছেন, এটাই প্রথম নয়। রাজপরিবারের সমস্ত বড় অনুষ্ঠানই তাঁরা উদযাপন করে থাকেন।
হ্যারির দাদা উইলিয়ামের বিয়ের উপহার হিসেবে প্রিন্স উইলিয়ামের জন্য পাগড়ি ও জুতো আর ডাচেস অফ কেমব্রিজ কেটের জন্য দামি শাড়িও পাঠানো হয়েছিল। ২০০৯ সালে বাকিংহাম প্যালেসে গিয়ে ওই উপহার দিয়ে আসা হয়েছিল ডাব্বাওয়ালাদের তরফে। উপহারের গ্যালারিতে সেই সব এখনও যত্ন করে রাখা রয়েছে।
হ্যারি-মেগানের বিয়ের সময়েও তাঁদের জন্য মহারাষ্ট্রের ঐতিহ্যশালী পোশাক পাঠিয়েছিলেন ডাব্বাওয়ালারা। এমনকী মুম্বইয়ের একটি সরকারি হাসপাতালে মিষ্টিও খাইয়েছিলেন তাঁরা।
রাজপরিবারের নবতম সদস্য প্রিন্স আর্চির বয়স মাত্র এক সপ্তাহ হলেও, এর মধ্যেই সারা দুনিয়া থেকে উপহার এসে পৌঁছচ্ছে তার কাছে। সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, এই উপহার প্রেরকের তালিকায় এবার যোগ দিলেন মুম্বইয়ের ডাব্বাওয়ালারাও।
https://twitter.com/ANI/status/1127748852373762048
২০০৩ সালে যখন রাজপরিবারের ঠাকুর্দা প্রিন্স চার্লস মুম্বই এসেছিলেন, তখন থেকেই এই ডাব্বাওয়লা সংগঠনের সঙ্গে রাজপরিবারের একটি সখ্য তৈরি হয়। চার্লসের দ্বিতীয় বিয়েতে তাঁদের নিমন্ত্রণও ছিল।