দ্য ওয়াল ব্যুরো : উত্তরপ্রদেশের বুলন্দশহরে তিন যুবক যৌন হেনস্থা করেছিল ১৪ বছরের এক কিশোরীকে। সেই ঘটনার ভিডিও তারা ছড়িয়ে দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। তাতে লজ্জায় আত্মঘাতী হয়েছে সেই কিশোরী। পুলিশ জানিয়েছে, মৃত কিশোরীর বাড়ির লোকজনের অভিযোগের ভিত্তিতে এফআইআর করা হয়েছে। দুষ্কৃতীরা শীঘ্রই গ্রেফতার হবে।
পুলিশ জানায়, মৃত কিশোরীর বাড়ির লোক সোমবার দেহটি দাহ করে ফেলে। পরে পুলিশ স্থানীয়দের থেকে ওই আত্মহত্যার কথা জানতে পারে। তখন তারা মৃতার বাড়িতে যায়। পুলিশ অফিসার গোপাল সিং জানান, স্থানীয় বাসিন্দাদের থেকে ঘটনার কথা শুনে তাঁরা মৃতার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে।
ওই ঘটনার কথা জানাজানি হওয়ার পরে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা টুইট করে উত্তরপ্রদেশ সরকারের সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, "বিজেপি সরকার কি জবাব দেবে, কেন রাজ্যে দলিতদের ওপরে অত্যাচার থামানো যাচ্ছে না? রাজ্য সরকার যেন এই ধরনের ঘটনাগুলি এড়িয়ে না যায়।"
গত কয়েক সপ্তাহে উত্তরপ্রদেশে নারী নিগ্রহের কয়েকটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। আইন-শৃঙ্খলার অবনতির কথা তুলে সরকারের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিরোধীরা।
গত ২৫ অগাস্ট দিল্লির এক ডাক্তারি ছাত্রের দেহ পাওয়া যায় আগ্রায়। তিনি যে কলেজে পড়তেন তার কিছু পড়েছিল তাঁর দেহ। ২৫ বছরের ওই তরুণীর পরিবার অভিযোগ করে, এক ডাক্তার তাঁকে নিয়মিত হেনস্থা করতেন। পুলিশ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে।
তার আগের দিন উত্তরপ্রদেশের ভাদোহিতে এক কিশোরীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। ওই কিশোরী তার কয়েকদিন আগে নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। অগাস্টেই লখিম্পুর-খেরি জেলায় ১৩ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়। তার দেহটি পাওয়া গিয়েছিল আখের ক্ষেতের মধ্যে। মৃতার বাবা অভিযোগ করেন, কিশোরীর চোখ উপড়ে নেওয়া হয়েছিল। জিভ কেটে নেওয়া হয়েছিল। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে মারা হয়। পুলিশ অবশ্য এই নির্যাতনের কথা অস্বীকার করেছে।
গত মাসে পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের হাপুরে ছয় বছরের এক শিশুকন্যাকে অপহরণ করে ধর্ষণ করা হয়। পরে ধরা পড়ে অভিযুক্ত।