.jpeg)
ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 26 April 2025 18:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চাকরিহারা শিক্ষাকর্মীদের জন্য মাসিক ভাতা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বলেছেন, মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত অর্থ সাহায্য করবে সরকার। এর পরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এ ধরনের সিদ্ধান্ত কি তাহলে একপ্রকার আদালতকে চ্যালেঞ্জ করা হয়ে গেল না? বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য (Bikash Ranjan Bhattacharya) স্পষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, সরকারের এহেন সিদ্ধান্ত আসলে একপ্রকার আদালত অবমাননাই বটে।
২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) পরীক্ষায় প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীর নিয়োগ হয়েছিল। সেই নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে গোটা প্যানেলই বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। চাকরি গিয়েছে কয়েক হাজার শিক্ষাকর্মীরও। তাঁদের জন্যই এবার ভাতা ঘোষণা করল রাজ্য সরকার।
শনিবার চাকরিহারা গ্রুপ সি এবং ডি শিক্ষাকর্মীরা নবান্নে গিয়েছিলেন মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে দেখা করতে। সেখানেই পন্থের পৌরহিত্যে ফোনে চাকরিহারা শিক্ষাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানান, গ্রুপ সি কর্মীদের মাসিক ২৫ হাজার এবং গ্রু ডি ২০ হাজার টাকা করে দেবে রাজ্য সরকার। এছাড়াও শিক্ষাকর্মীদের স্কুলে যাওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।
গোটা বিষয়টা নিয়ে বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিআইএম নেতা বিকাশরঞ্জন জানান, "রাজ্য যে রিভিউ পিটিশন করবে তার যে কোনও গ্রহণযোগ্যতা আছে সেটাই আমি মনে করি না। সরকারের পয়সায় যে কেউ রিভিউ ফাইল করতে পরেন। আর তিনি যে ভাতা দেওয়ার কথা বলেছেন, এটা একধরনের আদালত অবমাননা। রায়কে চ্যালেঞ্জ করা।"
তাঁর কথায়, "মমতা যদি বলেন ভাতা আমি সরকারের পক্ষ তয়েকে দিচ্ছি, তাহলে রাজ্যের যত জায়গায় যত কর্মী ছাঁটাই হয়েছে, সকলকে ভাতা দিন। আমার কোনও আপত্তি নেই। বাংলায় তো প্রায়ই এরকম ছাঁটাই হয়, উনিও সরকারের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের ছাঁটাই করছেন, তাঁদেরও ভাতা দিন।"
বাম জমানার কথা উল্লেখ করে বিকাশবাবু বলেন, একসময় যেমন 'বেকার ভাতা' চালু করা হয়েছিল, তেমনই মমতার সরকারও রাজ্যের বেকারদের জন্য 'ভাতা' চালুক করুক।