.jpeg)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 14 February 2025 16:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো, নদিয়া: শান্তিপুর জেলা হাসপাতালের অমানকিক কাণ্ডে ক্ষুব্ধ রাজ্য। এ ব্যাপারে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের (সিএমওএইচ) কাছে রিপোর্ট তলব করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
শুক্রবারই ভাইরাল হয় হাসপাতালের একটি ছবি, তাতে দেখা যাচ্ছে, ৫ বছরের মেয়ে হাসপাতালে বমি করে ফেলায় মেয়ের বাবাকে দিয়ে জোর করে বমি পরিষ্কার করাচ্ছেন চিকিৎসক(ছবির সত্যতা দ্য ওয়াল যাচাই করেনি) । এই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সমাজের সর্বস্তর থেকে নিন্দার ঝড় উঠেছে। বিষয়টি জানতে পেরে এরপরই দ্রুত পদক্ষেপ করে রাজ্য।
মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলেন বাবা। ডাক্তার দেখানোর সময় ছোট্ট মেয়ে বমি করে ফেলে। হাসপাতালে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তখন তাঁকেই সেই বমি পরিষ্কার করতে বাধ্য করেন বলে অভিযোগ। হাসপাতালের সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই ব্যক্তি।
হাসপাতাল সূত্রের খবর, বুধবার রাতে শান্তিপুরের বাসিন্দা সমীর শীল তার পাঁচবছরের মেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ায় শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালের এমার্জেন্সিতে আচমকাই বমি করে ফেলে শিশুটি। সমীরবাবুর অভিযোগ, বমি করতে দেখে দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করেন। তাঁকে তাঁর মেয়ের বমি পরিষ্কার করতেও বাধ্য করা হয়। সেই ছবি ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।
অপমানিত ওই ব্যক্তি শুক্রবার শান্তিপুর হাসপাতালের সুপারের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি বলেন, ‘‘প্রচণ্ড জ্বর ও বমি হতে থাকায় আমার মেয়েকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছিলাম। হাসপাতালে অপেক্ষা করার সময় আমার বাচ্চাটি বমি করে ফেলে। তখন কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে জানান, হাসাপাতালে কোনও সুইপার নেই, আমার মেয়ের বমি আমাকেই পরিষ্কার করতে হবে। আমি ওঁকে বোঝানোর চেষ্টা করলেও উনি কিছু মানতে চাননি। বরং আমাকে বমি পরিষ্কারে বাধ্য করেন।’’
ভাইরাল ভিডিও ঘিরে হইচই শুরু হতেই নড়েচড়ে বসে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। রাজ্যের নির্দেশে ইতিমধ্যে হাসপাতালের সুপারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন সিএমওএইচ। তবে এবার সুপার, সিএমওএইচ বা হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, কেউই কোনও মন্তব্য করতে চাননি। অভিযুক্ত চিকিৎসকের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন স্থানীয়দের একাংশও। অতীতেও ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল।