Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

সরকারি হাসপাতালে টাকা চাওয়া হয় কেন? সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন ভুক্তভোগীর, কী বললেন ডাক্তাররা

সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্যে থেকে ওই ভুক্তভোগী সরকারি হাসপাতালে টাকা চাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

 সরকারি হাসপাতালে টাকা চাওয়া হয় কেন? সাংবাদিক বৈঠকে প্রশ্ন ভুক্তভোগীর, কী বললেন ডাক্তাররা

আরজি করে সাংবাদিক বৈঠকে জুনিয়র চিকিৎসকরা।

শেষ আপডেট: 20 September 2024 23:21

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভরা সাংবাদিক বৈঠকের মধ্যে ঢুকে পড়লেন এক ভুক্তভোগী! আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকদের উদ্দেশে বললেন, "আপনাদের ন্যায় বিচারের দাবিকে আমিও সমর্থন করি। কিন্ত আমার একটা জেনারেল কমপ্লেন আছে। সরকারি হাসপাতালে পরিষেবার বিনিময়ে টাকা চাওয়া কেন হয়?"

মুহূর্তের জন্য থমকে গেল সাংবাদিক বৈঠক। পিন পড়ার নিস্তব্ধতা। পর মুহূর্তেই ভুক্তভোগীর সঙ্গে সহমত জানালেন সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত জুনিয়র চিকিৎসকরা। বললেন, "এটা খুবই ন্যায্য প্রশ্ন। চিকিৎসক হিসেবে এই ইস্যুগুলো আমাদেরও ফেস করতে হয়। মুুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে সেফটি-সুরক্ষার প্রশ্নে আমরাও বলেছি, হাসপাতালের এই দালাল রাজ বন্ধ করতে হবে।"

টানা ৪২ দিনের আন্দোলনের পর এদিন সিবিআই দফতরে বিচারের দাবি জানাতে গিয়েছিলেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। সেখান থেকে ফিরে আরজি করে সাংবাদিক বৈঠক করছিলেন। আগামীকাল শনিবার থেকে কাজে ফেরার কথা বলছিলেন। 

ঠিক তখনই সাংবাদিকদের ভিড়ের মধ্যে থেকে ওই ভুক্তভোগী সরকারি হাসপাতালে টাকা চাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানান, বৃহস্পতিবার তাঁর পেশেন্টকে আরজি করে ট্রান্সফর করা হয়েছে। তাঁর কথায়, "আরজি করের নাম শুনে ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম। চিকিৎসা হবে তো! কিন্তু উপায় ছিল না, আইসিইউ-র জন্য ডাক্তার ট্রান্সফার করে। মিথ্যে বলব না, আরজি করে চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছি।"

এরপরই তিনি বলেন, "বৃহস্পতিবার রাতে ডেলিভারি হয়েছে। কিন্তু এখনও বাচ্চাকে দেখতে দেওয়া হয়নি। হাসপাতালের মাসীরা বলছে, 'আগে টাকা দিতে হবে।' আপনারাই বলুন, ওরা তো ডিউটি করছে, আলাদা করে টাকা দেব কেন? শুধু আরজি কর নয়, বেশিরভাগ সরকারি হাসপাতালে এরকম জুলুমবাজি হয়। এটা নিয়ে প্রতিবাদ হওয়া দরকার।"

সহমত জানিয়ে জুনিয়র চিকিৎসকরা বলেন, "বেড নিয়ে বা অ্যাডমিশন নিয়ে দালালি বন্ধ করা জরুরি। এ ব্যাপারে আমরা মুখ্যসচিবকেও বৈঠকে বলেছি, বেড ভ্যাকান্সি পদ্ধতি চালু করতে হবে। যাতে রিয়েল টাইম তথ্য থাকে। কোথায় কত বেড খালি রযেছে। তাহলে কেউ দালালি করতে পারবে না।"

একই সঙ্গে তাঁরা বলেন, "কেউ এরকম করে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে কর্তৃপক্ষকে জানাবেন, পুলিশের আউট পোস্টেও অভিযোগ জানান। আমরাও চাই যে করেছে সে শাস্তি পাক।"


```