
শেষ আপডেট: 11 January 2024 16:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: চারিদিকে রাস্তা খোঁড়া। মাঝে মাঝে ধসও নামছে। এদিকে পৌষ সংক্রান্তি মিটলেই শুরু হয়ে যাবে বিয়ের মরশুম। কীভাবে চুঁচুড়ার রাস্তায় যাতায়াত করবে কনে ও বরযাত্রীর গাড়ি ভেবে কূল কিনারা পাচ্ছেন না পাত্র ও পাত্রীর বাড়ির লোক। এই পরিস্থিতিতেই কড়াভাবে কাজ শেষের সময় বেঁধে দিলেন বিধায়ক অসিত মজুমদার।
চুঁচুড়া শহরজুড়ে রাস্তা খোঁড়া। ধস নেমে বারবার ব্যহত হচ্ছে যান চলাচল। কী করে বর আসবে ছাদনাতলায়, কী করেই বা বিয়েবাড়ির গাড়ি ঢুকবে অনুষ্ঠানবাড়িতে, দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছে পাত্র পাত্রীর স্বজনরা। চুঁচুড়া শহরে পুজোর আগে থেকে শুরু হয়েছিল কেএমডি এর কাজ। নমামি গঙ্গা প্রকল্পে নিকাশির কাজে শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা খোঁড়া হয়। কিছু রাস্তার নীচে পাইপ বসিয়ে মেরামত করা হয়। তারপর থেকেই অনেক রাস্তা ভাঙাচোরা অবস্থাতেই পড়ে রয়েছে। দোসর হয়েছে ধস। জলের পাইপ ফেটে গিয়ে ধস নামছে একাধিক জায়গায়। ফলে যান চলাচলে সমস্যা তৈরি হচ্ছে। নির্দিষ্ট রুট দিয়ে চলাচল করতে পারছে না বাস অটো। ফলে সমস্যা পরতে হচ্ছে যাত্রীদের।
দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ি থাকায় এবার নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে। মাঘ মাস পড়লেই শুরু হবে বিয়ের মরসুম। হাতে আর কয়েকটা দিন। রাস্তার অবস্থা এখন চিন্তা বাড়িয়েছে চুঁচুড়ার মানুষের। তোলাফটকের সোনালি মণ্ডলের বাড়িতে দুটি বিয়ে। নিজের মেয়ের বিয়ে, আবার জায়েরও ছেলের বিয়ে। তিনি বলেন, “বাড়ির সামনে রাস্তায় বড় বড় গর্ত আর মাটি জড়ো করা। কী করে বিয়ে বাড়িতে লোকজন আসবে, গাড়িই বা আসবে কী করে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন তিনি।
সোনালির মতো আরও অনেকেই আছেন যাদের বাড়িতে বিয়ে। রাস্তার অবস্থা নিয়ে চিন্তা রয়েছেন তাঁরা। এই পরিস্থিতিতে চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার কয়েকজন কাউন্সিলরকে নিয়ে রাস্তা পরিদর্শন করলেন। বিধায়ক বলেন, “১৮ জানুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করতে সময় বেঁধে দিয়েছি। কাজ শেষের পর রাস্তা মাটি দিয়ে ঠিক মতো ভরাট না করায় ধস নামছে। সেটাও দেখতে বলেছি।” ঠিকাদারি সংস্থার কর্মী আফসার মল্লিক বলেন, “দিন রাত কাজ করে শেষ করার চেষ্টা করব। পুজো কার্নিভালের জন্য কিছুদিন কাজ বন্ধ ছিল। মাঝে কয়েকদিনের বৃষ্টিতেও কাজে দেরি হয়।”
নমামি গঙ্গার কাজ শেষ করার সময় পেরিয়ে গেছে আগেই। তারপরেও ধীর গতিতে কাজ চলায় ভুগতে হচ্ছে শহরবাসীকে।