
শেষ আপডেট: 17 December 2022 06:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভগবানের প্রতি ভক্তের ভালবাসা অনেক সময়ই অন্য স্তরে চলে যায়, সাধারণ বোধবুদ্ধিতে যার ব্যাখ্যা মেলে না। সেখানে ঈশ্বরের প্রতি সম্পূর্ণরূপে নিজের জীবন উৎসর্গ করে দেন ভক্ত। তাঁর ধ্যান-জ্ঞান-ভক্তি-ভালবাসা সবকিছুই আবর্তিত হয় হয় আরাধ্য ঈশ্বরকে ঘিরে। যেমন শ্রীকৃষ্ণের প্রতি মীরাবাইয়ের ভালবাসার কথা কারওরই অজানা নয়। যদিও আজকের পৃথিবীতে তেমন ভক্তি বা ভালবাসা বিরল বললেই হয়। তবে সম্প্রতি তেমনই একটি বিরল ঘটনা সামনে এসেছে, যেখানে ভগবান বিষ্ণুর সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন ৩০ বছর বয়সি তরুণী (woman married God Vishnu)।
রাজস্থানের (Rajasthan) জয়পুরের নরসিংহপুরা গ্রামের বাসিন্দা পূজা সিং গত ৮ ডিসেম্বরে বিয়ে করেছেন ভগবান বিষ্ণুকে। রীতিমতো অনুষ্ঠান করে বিষ্ণুদেবের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন পূজা। ঈশ্বরের প্রতি অগাধ ভালবাসা তো আছেই, তবে ভগবানের সঙ্গে নিজের জীবন জড়িয়ে নেওয়ার পিছনে আরও একটি কারণ রয়েছে পূজার। রক্তমাংসের কোনও মানুষের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে নিজের জীবন নষ্ট করতে চান না পূজা। তাঁর দাবি, মানুষের বৈবাহিক জীবনে অত্যন্ত তুচ্ছ ঘটনা থেকে সমস্যা শুরু হয়। দাম্পত্য কলহে নষ্ট হয়ে যায় স্বামী-স্ত্রীর জীবন। আর বৈবাহিক সম্পর্কে অশান্তি হলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন মহিলারাই। তাই সবদিক বিচার বিবেচনা করে 'ঠাকুরজি'র সঙ্গেই জীবন কাটাবেন বলে মনস্থির করেছেন পূজা।
৩০০ জন আত্মীয়-বন্ধুর উপস্থিতিতে বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে তরুণীর। বিয়ের যাবতীয় নিয়ম পালন করা হয়েছে। হিন্দু নিয়ম অনুযায়ী পুরোহিতের সঙ্গে কথা বলে তুলসী-বিবাহ করেছেন পূজা।
পূজার বাবা মেয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি। তাই মেয়ের বিয়েতে অনুপস্থিত ছিলেন তিনি। তবে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে বোঝানোর পর শেষমেষ মেয়ের সিদ্ধান্ত মেনে নেন পূজার মা। কন্যাদানও করেন তিনিই। সকলের উপস্থিতিতে ভালভাবেই সম্পন্ন হয়েছে বিয়ের আচার অনুষ্ঠান।
আপাতত নিজের বাড়িতেই একটি ছোট মন্দির স্থাপন করে ঠাকুরজিকে সেখানে প্রতিষ্ঠা করেছেন পূজা। নিত্যপুজার অংশ হিসেবে রোজই স্বামীকে ভোগ নিবেদন করেন তিনি।
রোগীর ‘নিকটাত্মীয়’ না হলেও কিডনি দান কিংবা বদল করা যাবে, যুগান্তকারী রায় আদালতের