
শেষ আপডেট: 17 December 2022 03:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পরস্পরের নিকট আত্মীয় (near relatives) না হলেও এবার থেকে কিডনি অদল বদল (kidney swap) করতে পারবেন দুজন মানুষ। সম্প্রতি একটি মামলার প্রেক্ষিতে এমনটাই জানিয়েছে পাঞ্জাব হাইকোর্ট এবং হরিয়ানা হাইকোর্ট (Punjab and Haryana HC)।
১৯৯৪ সালের ট্রান্সপ্লান্টেশন অফ হিউম্যান অর্গানস এন্ড টিস্যুস অ্যাক্ট অনুযায়ী, অঙ্গদান কিংবা কিডনি বদলের ক্ষেত্রে দুজনের মধ্যে আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকা বাধ্যতামূলক। শুধু তাই নয়, কাদের আত্মীয় বলে গণ্য করা হবে, তাও নির্দিষ্ট করা আছে। স্বামী/স্ত্রী , সন্তান, বাবা, মা, ভাই, বোন, দাদু, ঠাকুমা, নাতি এবং নাতনিকেই শুধুমাত্র নিকট আত্মীয় বলে ধরা হয় আইন মোতাবেক। কিন্তু সম্প্রতি একটি বিশেষ মামলার প্রেক্ষিতে শাশুড়ি মাকে জামাইয়ের সঙ্গে কিডনি বদল করার অনুমতি দিয়েছে পাঞ্জাব ও হরিয়ানার উচ্চ আদালত।
সম্প্রতি চণ্ডীগড় পিজিআইএমইআর 'নিকটাত্মীয়' নয় বলে এক শাশুড়িমায়ের কিডনি বদলের অর্জি খারিজ করে দেয়। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে গত ৬ ডিসেম্বর বিচারপতি বিনোদ এস ভরদ্বাজ জানিয়েছেন, কেউ ভালোবেসে মানুষের প্রাণ বাঁচাতে উদ্যোগী হলে শুধুমাত্র নিকটাত্মীয়ের সংজ্ঞায় পড়েন না বলে তাঁকে অঙ্গদান কিংবা কিডনি বদল করার ক্ষেত্রে বাধা দেওয়া উচিত নয়।
কিডনির সমস্যা নিয়ে পিজিআইএমইআর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অজয় মিত্তল এবং সাইয়াদুজ্জামা নাম দুই ব্যক্তি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, তাঁদের কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে। সাইয়াদুজ্জামার ক্ষেত্রে তাঁর স্ত্রী ইরফানা খাতুন তাঁকে কিডনি দান করতে রাজি হন। তবে অজয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা শুরু হয়। অজয়ের সঙ্গে রক্তের গ্রুপ মেলে তাঁর শাশুড়ি মা অরুনা রানির। ইরফানার সঙ্গেও তাঁর রক্তের গ্রুপ মেলে। কিন্তু এঁরা কেউই আইন অনুযায়ী 'নিকটাত্মীয়' নন, সেই কারণ দর্শিয়ে অজয়ের শাশুড়ির কিডনি বদলের আর্জি খারিজ করে দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। তারপরেই উচ্চ আদালতে পিটিশন দাখিল করেন অজয়। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতেই কার্যত এমন যুগান্তকারী রায় দিল আদালত।
‘ভুল করে’ অ্যান্টি রেবিস ভ্যাকসিন দেওয়া হল শিশুকে! সরকারি হাসপাতালে চূড়ান্ত গাফিলতি