
শেষ আপডেট: 19 July 2023 07:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: 'ব্লু আইজ হিপনোটাইজ তেরি করদিয়া মেইনু'
হানি সিংয়ের সেই বিতর্কিত গানের প্রথম লাইন যেন তাঁর জন্যই লেখা। তাঁর নীল চোখের সম্মোহনে মজেছিল উপমহাদেশ তথা সারা দুনিয়া। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। পাকিস্তানের সেই চা-বিক্রেতা আরশাদ খানের (Arshad Khan) কথাই হচ্ছে (Pakistan viral blue-eyed chaiwala)। চিত্রগ্রাহক জিয়া আলির তোলা একটি ছবি রাতারাতি ভাইরাল করে দিয়েছিল তাঁকে। ২০১৬ সালে সেই ছবিতে আরশাদের 'সিরিয়াস' চাউনি ঝড় তুলেছিল মেয়েদের মনে, নিমেষে ইন্টারনেট সেনসেশন হয়ে উঠেছিলেন এই পাকিস্তানি যুবক। তারপর অবশ্য আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। সেই আরশাদ ফের চা-কফির দোকান খুললেন, এবার লন্ডনে।
বস্তুত, আরশাদের হাত ধরেই 'চা-ওয়ালা' ব্যাপারটায় রাতারাতি ট্রেন্ডিং হয়ে উঠেছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে তা শুধু সমাজ মাধ্যমেই আবদ্ধ থাকেনি, 'আরশাদ চাওয়ালা' থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে শহর মফস্বলে একাধিক ক্যাফে কিংবা টি-জয়েন্ট গজিয়ে উঠতে শুরু করেছিল। আরশাদ নিজেও পাকিস্তান জুড়ে একাধিক চা-ক্যাফে খুলে ফেলেছিলেন। ২০২০ সালে প্রথমে ইসলামাবাদে একটি ক্যাফে খোলেন তিনি। তারপর লাহোর এবং মুরিতে আরও দুটি ক্যাফে চালু হয় তাঁর। এবার তিনি দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক ব্যবসায় নেমে পড়লেন।
'ক্যাফে চাওয়ালা' (Cafe Chaiwala) নামে সেই টি-জয়েন্টে পাওয়া যাবে খাঁটি কড়ক চায়ের স্বাদ। সেই চায়ে নাকি মিশে থাকবে ভালবাসা এবং ঐতিহ্য, এমনটাই দাবি ক্যাফে কর্তৃপক্ষের। হাতে আঁকা রঙিন কেটলিতে করে চা ঢালা হবে গ্লাসে, আর ছড়িয়ে পড়বে তার সুবাস। সেই কেটলি নাকি বিক্রিও করা হবে!
আরশাদ নিজে এখনও পাকিস্তানেই রয়েছেন। যদিও খুব শিগগিরই লন্ডনে যাবেন তিনি। 'আমি লন্ডন সফরের জন্য হাজার হাজার অনুরোধ পেয়েছি। আমাদের প্রথম আন্তর্জাতিক চায়ের দোকান ইলফোর্ড লেনে খোলা হয়েছে এবং ইতিমধ্যেই ব্যাপক সাড়া মিলেছে। দুরানি ব্রাদার্সের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমরা ইলফোর্ড লেনেই চায়ের দোকান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম কারণ এখানে প্রচুর সংখ্যক পাকিস্তানি এবং ভারতীয়দের বাস, যাঁরা চা পছন্দ করেন। আমি শীঘ্রই লন্ডনে আসব,' জানিয়েছেন আরশাদ।
আসল ২১ জুলাই, সেদিন মমতাকে যেমন দেখেছি! ব্রিটিশরাজ ফিরিয়ে এনেছিল পুলিশ