Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
শয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্য

‘আর এক বার সুযোগ দাও’ বলে ডেকে এনে চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে মারতে চাইল স্বামী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন স্ত্রীকে চলন্ত গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল যুবক।  তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে পরিষ্কার সেই ভিডিয়ো।  ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল হয়েছে।  বছর ৩৮-এর আরতি অর্জুন ২০০৮ সালে বিয়ে কর

‘আর এক বার সুযোগ দাও’ বলে ডেকে এনে চলন্ত গাড়ি থেকে ফেলে মারতে চাইল স্বামী

শেষ আপডেট: 11 June 2019 07:37

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডিভোর্সের মামলা চলাকালীন স্ত্রীকে চলন্ত গাড়ি থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিল যুবক।  তামিলনাড়ুর কোয়েম্বাটোরের একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে পরিষ্কার সেই ভিডিয়ো।  ইতিমধ্যেই তা ভাইরাল হয়েছে।  বছর ৩৮-এর আরতি অর্জুন ২০০৮ সালে বিয়ে করেছিলেন অরুণ জু়ড অমলরাজকে।  অরুণ পেশায় ইঞ্জিনিয়ার।  প্রথম থেকেই তাঁদের বিয়েতে সমস্যা ছিল।  তাই টানা ৬ বছর সংসার করার পরে ২০১৪ সালে ডিভোর্সের মামলা করেন আরতি।  তাঁদের দুটি সন্তানও রয়েছে।  আরতি অভিযোগ দায়ের করেছেন, অরুণ এবং তার মা বাবা মিলে তাঁকে চলন্ত এসইউভি থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়েছে।  তারা তাঁকে মেরে ফেলতে চেয়েছিল। ২০১৪ থেকে এই ডিভোর্সের মামলা চলছে মুম্বইয়ের হাইকোর্টে।  অরুণের বিরুদ্ধে রয়েছে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের অভিযোগও।  আরতির বাপের বাড়ি মুম্বইতেই।  দীর্ঘ ৫ বছর ধরে তাঁদের সেপারেশন চলছে।  তবে সম্প্রতি অরুণ আবারও আরতির কাছে আবেদন করেছিল, সন্তানদের নিয়ে যাতে তিনি তামিলনাড়ুতে তাদের বাড়িতে চলে আসেন। নতুন করে একবার শুরু করে দেখা যেতে পারে।  আর সেই আবেদনে সাড়াও দিয়েছিলেন আরতি। এ বছরের মে মাসে তাঁরা সকলে বেড়াতে যান উটিতে।  কিন্তু সেখানে যাওয়ার পরেই আবারও বিভীষিকাময় রাত শুরু হয় আরতির।  বারবার তাঁকে অপমান করা থেকে শুরু করে বিভিন্ন অত্যাচার করতে থাকে অরুণ।  সেখানেই স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়েরও করেন আরতি।  তবে সেখানে লিখিতভাবে ক্ষমা চায় অরুণ।  তাই পুলিশের উপদেশেই তাঁরা ফিরেও আসেন আবার।  আরতি বলেন, আবারও সমস্যা শুরু হয় ৯ ই মে।  অরুণ আরতিকে লিখিতভাবে জানিয়েছিল, তাঁদের সাথে অরুণের মা বাবা থাকবে না কখনওই।  কিন্তু ঘটনার দিন, অর্থাৎ ৯ ই মে আরতি তাঁর শ্বশুর শাশুড়িকে গাড়িতে দেখে যখনই তাদের বিষয়ে প্রশ্ন করেন, সে সময়েই আরতির বোনের বাড়ির কাছের রাস্তায় চলন্ত গাড়ি থেকে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে গাড়িটা চলে যায়।  রাস্তার পাশে থাকা একটি দোকানের সিসিটিভি ফুটেজে পরিষ্কার ধরা পড়েছে সে ঘটনা।  আরতির মাথা, হাঁটু, কাঁধে প্রচণ্ড চোট লাগে।  আপাতত আরতি তাঁর মা বাবার কাছেই সন্তানদের নিয়ে থাকছেন। আরতি একটি ইংরেজি দৈনিকে জানিয়েছেন, “ওরা আমাকে মেরে ফেলতে চায়।  এই ঘটনাগুলো আমাদের আতঙ্কিত করে দিয়েছে।  আমার ছেলে তার বাবাকে স্কুলের বাইরে দেখলেও ট্রমাটাইজ়ড হয়ে থাকছে।  আমার বাচ্চাগুলোর ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।  আমরা বেঁচে থাকার জন্য কী করে রোজগার করব বলে দিন একটু।  আমি সময়ের উপর ভরসা করি, হয় তো বিচার হবে। ” কোয়েম্বাটোরের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক সুজিত কুমার জানান, প্রাথমিকভাবে পুলিশ একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করে।  ভয় দেখানো এবং আহত করার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল তাতে।  পরে পুলিশ হত্যার চেষ্টার অভিযোগ দায়ের করে।  এখনও অবধি পুরো পরিবারটি তাদের ঘর বাড়ি ছেড়ে কোথাও চলে গিয়েছে।  তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।  প্রথমে পুলিশ চেন্নাইতে তাদের খোঁজ করতে গেলে সেখান থেকে জানতে পারা যায়, সম্ভবত পরিবারটি তিরুচিরাপল্লিতে আছে।  সেখানে গিয়েও দেখা যায় তারা ফেরার।  প্রায় একমাস ধরে অরুণদের পরিবারের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। একটি ইংরেজি সংবাদমাধ্যম অরুণকে তার ফোনে যোগাযোগ করলে, সে অরুণ নয় বলে ফোন কেটে দেয়।  এবং সঙ্গে সঙ্গেই নিজের হোয়াটসঅ্যাপের ডিসপ্লে পিকচারটাও সরিয়ে ফেলে।  যদিও আরতি জানিয়েছেন, ওটাই অরুণের নম্বর।  আপাতত আরতি সুবিচারের আশায় রয়েছেন।

```