
শেষ আপডেট: 20 August 2020 14:44
পক্ষাঘাতের কারণে চলৎশক্তিহীন হয়ে পড়ায় গত বারো বছর ধরে বিছানায় শয্যাশায়ী ছিলেন বাসন্তী দেবী। জানা গেছে, স্ত্রীর অসুস্থতাকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন ধনঞ্জয়বাবু। অবশ্য তিনি বাসন্তীদেবীর নিয়মিত সেবা শুশ্রুষা করতেন বলে জানিয়েছেন প্রতিবেশীরা। গত কাল রাতে দম্পতির ছেলে তাপস দাস অফিস থেকে বাড়ি ফিরে দেখেন তার বাবার ঘরের দরজা বন্ধ। ঘরের ভেতর আলো জ্বলতে না দেখে কিছুটা সন্দেহ হয় তার।দরজা খুলে তিনি দেখেন তার মা বাসন্তীদেবী বিছানায় মৃত অবস্থায় শুয়ে আছেন। আর সিলিং ফ্যান থেকে গলায় দড়ি লাগানো অবস্থায় ঝুলছেন ধনঞ্জয়বাবু। এরপরই তিনি বাড়ির লোকেদের খবর দেন। খবর পেয়ে ছুটে আসেন প্রতিবেশীরাও।
কিছুক্ষণ পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় মালিপাঁচঘরা থানার পুলিশ। দেহ উদ্ধারের পর মৃতের বিছানা থেকে একটি সুইসাইড নোটও উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে থেকে জানা গেছে, সেই সুইসাইড নোটে মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ী করা হয়নি। মৃত্যুর সিদ্ধান্ত তাঁদের নিজেদের, এমনটিই লিখে গেছেন ওই বৃদ্ধ দম্পতি।
ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।