
শেষ আপডেট: 28 April 2023 15:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনে (TMC Worker Murder Case) দোষী আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন কাটোয়া মহকুমা আদালত (Katwa CJM Court)। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চারজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার কল্যাণপুর গ্রামে। বাকি চারজন সীতাহাটির বাসিন্দা। পেশায় দিনমজুর।
২০১৬ সালের ২৪ মার্চ সন্ধে সাতটা নাগাদ বিষ্ণুপুর গ্রামের শিবমন্দিরে বসেছিলেন তৃণমূল কর্মী সুবীর ঘোষ। সেই সময় এই আটজন সেখানে গিয়ে সুবীরবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।
এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন সুবীরের স্ত্রী তনুশ্রী ঘোষ। শুক্রবার রায় ঘোষণার পর চোখের জলে ভাসলেন তিনি। ওই দিনের ঘটনা আজও তাঁর চোখে জলজ্যান্ত। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীকে শিবমন্দিরের সামনে স্বামীকে ঘিরে ধরে কল্যাণপুরের বিফল, গৌতম, রোহিত, চঞ্চল, জহর, নিখিল, মথুরা, মঙ্গলা ঘোষরা। চোখের সামনে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপাচ্ছিল। আমি ও আমার দেওর বাঁচাতে ছুটে গেলেও কিছু করতে পারেনি। দুষ্কৃতীরা আমার দেওর সুজিত ঘোষের মাথায় কোপ মারে, আমাকেও মারধর করা হয়।’
স্থানীয় জানা যায়, বিষ্ণুপুর গ্রামের সুবীর ঘোষের সঙ্গে কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা রোহিত ঘোষদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। পুরনো বিবাদের জেরেই তৃণমূল কর্মী সুবীর ঘোষ খুন হয়েছিলেন। এই খুনের ঘটনায় কোনও রাজনীতি নেই।
ইউআরএল-এ অবজার্ভেশন বানান ভুল ছিল। এই লিঙ্ক আর আগের লিঙ্ক সবার খুলছে কিনা দেখো