Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ময়মনসিংহে দীপুচন্দ্র দাসকে হত্যার প্রধান আসামিকে ১ বছরের অন্তর্বর্তী জামিন, কাঠগড়ায় বিচারপতিশয়তান বা কালু বলে আর ডাকা যাবে না! স্কুলের খাতায় পড়ুয়াদের নতুন পরিচয় দিচ্ছে রাজস্থান সরকার‘পাশে মোল্লা আছে, সাবধান!’ এবার শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কমিশনে নালিশ তৃণমূলেরWest Bengal Election 2026: বাম অফিসে গেরুয়া পতাকা! মানিকচকে চরম উত্তেজনা, থানায় বিক্ষোভ বামেদেরপয়লা বৈশাখে শুটিং শুরু, যিশুর কামব্যাক—‘বহুরূপী ২’ কি ভাঙবে সব রেকর্ড?‘কেকেআরের পাওয়ার কোচ রাসেল ২৫ কোটির গ্রিনের থেকে ভাল!’ আক্রমণে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন তারকাবিহারে আজ থেকে বিজেপি শাসন, রাজনীতির যে‌ অঙ্কে পদ্মের মুখ্যমন্ত্রী আসলে নীতীশেরই প্রথম পছন্দঅশোক মিত্তলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইডি, ক'দিন আগেই রাজ্যসভায় রাঘব চাড্ডার পদ পেয়েছেন এই আপ সাংসদ West Bengal Election 2026: প্রথম দফায় ২,৪০৭ কোম্পানি বাহিনী! কোন জেলায় কত ফোর্স?IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর

স্বামীর খুনের ঘটনা আজও ভোলেননি তনুশ্রী, ছ'বছর পর আট দোষীর যাবজ্জীবন

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনে (TMC Worker Murder Case) দোষী আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন কাটোয়া মহকুমা আদালত (Katwa CJM Court)। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চারজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার কল্যাণপুর গ্রা

স্বামীর খুনের ঘটনা আজও ভোলেননি তনুশ্রী, ছ'বছর পর আট দোষীর যাবজ্জীবন

শেষ আপডেট: 28 April 2023 15:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কেতুগ্রামে তৃণমূল কর্মী খুনে (TMC Worker Murder Case) দোষী আটজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিলেন কাটোয়া মহকুমা আদালত (Katwa CJM Court)। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে চারজনের বাড়ি কেতুগ্রাম থানার কল্যাণপুর গ্রামে। বাকি চারজন সীতাহাটির বাসিন্দা। পেশায় দিনমজুর।

২০১৬ সালের ২৪ মার্চ সন্ধে সাতটা নাগাদ বিষ্ণুপুর গ্রামের শিবমন্দিরে বসেছিলেন তৃণমূল কর্মী সুবীর ঘোষ। সেই সময় এই আটজন সেখানে গিয়ে সুবীরবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে।

এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন সুবীরের স্ত্রী তনুশ্রী ঘোষ। শুক্রবার রায় ঘোষণার পর চোখের জলে ভাসলেন তিনি। ওই দিনের ঘটনা আজও তাঁর চোখে জলজ্যান্ত। তিনি বলেন, ‘আমার স্বামীকে শিবমন্দিরের সামনে স্বামীকে ঘিরে ধরে কল্যাণপুরের বিফল, গৌতম, রোহিত, চঞ্চল, জহর, নিখিল, মথুরা, মঙ্গলা ঘোষরা। চোখের সামনে তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপাচ্ছিল। আমি ও আমার দেওর বাঁচাতে ছুটে গেলেও কিছু করতে পারেনি। দুষ্কৃতীরা আমার দেওর সুজিত ঘোষের মাথায় কোপ মারে, আমাকেও মারধর করা হয়।’

স্থানীয় জানা যায়, বিষ্ণুপুর গ্রামের সুবীর ঘোষের সঙ্গে কল্যাণপুর গ্রামের বাসিন্দা রোহিত ঘোষদের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল। পুরনো বিবাদের জেরেই তৃণমূল কর্মী সুবীর ঘোষ খুন হয়েছিলেন। এই খুনের ঘটনায় কোনও রাজনীতি নেই।

ইউআরএল-এ অবজার্ভেশন বানান ভুল ছিল। এই লিঙ্ক আর আগের লিঙ্ক সবার খুলছে কিনা দেখো


```