
শেষ আপডেট: 21 November 2022 12:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: দলের জেলা সভাপতিকে এলাকায় ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে হুঙ্কার দিলেন যুব তৃণমূল নেতা (TMC)। হুগলির খানাকুলের (Khanakul) ঘটনা। প্রকাশ্য সভা থেকে যুব নেতার দেওয়া এই হুঁশিয়ারি পঞ্চায়েত ভোটের আগে শাসকদলের বিভাজনকে প্রকট করল বলে পর্যবেক্ষকদের ধারণা।
রবিবার ভরা সভা থেকে খানাকুল পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ নুর নবি মণ্ডল বলেন, "জীবনে অনেক জেলা সভাপতি দেখেছি, কিন্তু এখনকার জেলা সভাপতির মতো কাউকে দেখিনি। এরপর থেকে ওনাকে আর খানাকুলে ঢুকতে দেওয়া হবে না।" এই উনিটা হলেন তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি রমেন্দু সিংহরায়। তাঁর বিরুদ্ধে দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে মদত দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন নুর নবিরা।
উল্লেখ্য, খানাকুলের এই যুব নেতা গত বিধানসভা নির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী মুন্সি নজিবুল করিমের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। রবিবার খানাকুল এলাকায় তৃণমূলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে তিনটি সমাবেশের ডাক দেওয়া হয়। কিন্তু দুই ব্লক সভাপতির ডাকা সমাবেশে গেলেও নজিবুল করিমের সভায় যাননি জেলা সভাপতি রমেন্দু সিংহরায়। তারপরই তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন ওই যুব তৃণমূল নেতা।
এই নিয়ে পরে যোগাযোগ করলে রমেন্দু সিংহরায় বলেন, "যার যেমন শিক্ষা সে তেমন কথা বলছে। ওসব কথায় কান দেওয়ার দরকার নেই।"
আরামবাগ লোকসভা এলাকায় তৃণমূলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ নতুন নয়। বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রটি তৃণমূলের হাতছাড়া হয়। তারপর সেই দ্বন্দ আরও বেড়েছে বলে দলের কর্মীদের অভিযোগ।
এদিকে এই ঘটনায় তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। তাদের দাবি, "পঞ্চায়েত ভোট যত এগিয়ে আসছে তত খানাকুলে শাসক দলের গোষ্ঠী কোন্দল সামনে উঠে আসছে।" খানাকুলের বিজেপি বিধায়ক সুশান্ত ঘোষ বলেন, "এখন লুটে খাওয়ার প্রতিযোগিতা চলছে। তাই একসঙ্গে এতো মিছিল, মিটিং।"
খুন করে দেহ টুকরো করাই কি নয়া 'ট্রেন্ড'! দিল্লির পরেই উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ এমনকি বাংলাও