দ্য ওয়াল ব্যুরো: সুদের হার (interest rate) কমছে। তাই ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্টে (savings) টাকা রেখে কী লাভ, এই প্রশ্ন অনেকের। তবে ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট রাখার কিছু সুবিধা তো আছেই। যেমন, আচমকা বিপদে-আপদে ঘরে না থাকলে ছুটে ব্যাঙ্কে গিয়ে টাকা তোলা যায়। টাকা নিরাপদ থাকে। তবে এখন ব্যাঙ্কগুলির (banks)মধ্যেও কাস্টমার (customer) টেনে আনা, ধরে রাখার হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলে। সেই লড়াইয়ে বেশ কিছু ছোট ছোট বেসরকারি ব্যাঙ্ক বাড়তি সেভিংসে বাড়তি সুদের হার অফার করছে। ব্যাঙ্কবাজার এরকম ৫টি বেসরকারি ব্যাঙ্কের (private banks) কথা বলেছে। ব্যাঙ্কবাজারের ৩ নভেম্বর পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য অনুসারে তাদের মধ্যে আছে এইচডিএফসি, আইসিআইসিআইয়ের মতো প্রথম সারির ব্যাঙ্কও। নতুন খুচরো কাস্টমার টানতে কী তাদের কৌশল? সাধারণতঃ দীর্ঘদিনের ট্র্যাক রেকর্ড, উন্নত পরিষেবা, বেশি সংখ্যক ব্র্যাঞ্চ নেটওয়ার্ক, এটিএম পরিষেবা, সেভিংস অ্যাাকাউন্টে ভাল সুদের হার—এত কিছু দেখেই তো ঠিক করবেন, কোন ব্যাঙ্কে সেভিংস অ্যাকাউন্ট খুলবেন।
এই তালিকায় প্রথমেই নাম আসবে ডিসিবি ব্যাঙ্কের। তারা বেসরকারি ব্যাঙ্কগুলির মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে। সাড়ে ৬ শতাংশ পর্যন্ত। মাসে ডিসিবিতে সেভিংসে ২৫০০ থেকে ৫ হাজার টাকা ব্যালেন্স রাখতে হয়। বন্ধন ব্যাঙ্ক দিচ্ছে সেভিংসে ৬ শতাংশ পর্যন্ত সুদ। মাসে ৫ হাজার টাকা ব্যালেন্স রাখতে হয় এই ব্যাঙ্কে। ইয়েস ব্যাঙ্ক দিচ্ছে সেভিংসে ৫.২৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ। গড়ে সেখানে ন্যূনতম ব্যালেন্স রাখতে হয় ১০০০০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। ইন্ডাসইন্ড ব্যাঙ্ক ৫ শতাংশ পর্যন্ত সুদ দিচ্ছে। ১৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত গড় মাসিক ব্যালান্স রাখতে হয় এখানে।