
শেষ আপডেট: 12 June 2023 14:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কয়েক ঘণ্টা করে লোডশেডিংয়ের ঘটনা ঘটছে। এমনকী কলকাতার উপকণ্ঠেও এই ঘটনা আকছার ঘটছে বলে দাবি অনেকের। এ হেন পরিস্থিতিতে লোডশেডিংকে হাতিয়ার করে সোমবার বিদ্যুতের দু’টি দফতরে গেলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন হাইকোর্টে পঞ্চায়েত মামলার শুনানিতে বেলা আড়াইটে পর্যন্ত ছিলেন শুভেন্দু। তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে বিদ্যুৎ ভবনে যান বিরোধী দলনেতা। সেখান থেকে শুভেন্দুকে ‘উৎপাদন’ বিভাগে যাওয়ার পরামর্শ দেন আধিকারিকেরা।
বিদ্যুৎ ভবন থেকে বেরিয়ে রাজ্য বিদ্যুৎ উন্নয়ন নিগমের দফতরে যান নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সঙ্গে ছিলেন অগ্নিমিত্রা পলও। বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, ‘‘লোডশেডিং বন্ধ করতে সমাধান চেয়ে কথা বলতে এসেছিলাম। কিন্তু কথা বলতে চাননি কেউ। সিএমডি বাথরুমে ঢুকে গিয়েছেন। এর থেকে লজ্জার কিছু হয় না।’’
পাল্টা তৃণমূলের বক্তব্য, ‘বাংলায় বাম আমলে লোডশেডিং ছিল রুটিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জমানায় সেইসব ছবি ঘুচে গেছে। পঞ্চায়েত ভোটে প্রার্থী খুঁজে না পেয়ে শুভেন্দু বাজার গরম করতে নেমেছেন।’
বিরোধী দলনেতার বক্তব্য, এই ১২ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলায় একটাও নতুন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদন করতে পারেননি। উল্টে কোলাঘাট আর ব্যান্ডেলকে লাটে তুলে দিয়েছেন। ফলে বাংলার মানুষের যে বিদ্যুতের চাহিদা সেই পরিমাণ উৎপাদনে ঘাটতি রয়েছে। রাজ্য সরকার কোনও পদক্ষেপ করছে না। নাভিশ্বাস উঠছে সাধারণ মানুষের।
শুধু রাজ্য বিদ্যুৎ পর্ষদের এলাকাতেই নয়। তীব্র গরমে সিইএসসির অনেক এলাকাতেও লোডশেডিং লেগে রয়েছে বলে দাবি অনেকের। এদিন তাই নিয়েই দুই দফতরে গেলেন শুভেন্দু।
শুভেন্দু আড়াই ঘণ্টার পর বেরোলেন হাইকোর্ট থেকে, কতটা আশাবাদী বিরোধী দলনেতা