করোনা শঙ্কায় ভোগ বিতরণ বন্ধ হল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরেও
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান : করোনা আতঙ্কে ভোগ বিতরণ বন্ধ হয়ে গেল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরেও। মঙ্গলবারই এ বিষয়ে নোটিস দেওয়া হল। বলা হয়েছে ১৮ মার্চ থেকে অর্নিদিষ্টকালের জন্য সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভোগ বিতরণ, ভোগ খাওয়া ও ভোগ রান্না বন্ধ রা
শেষ আপডেট: 17 March 2020 06:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান : করোনা আতঙ্কে ভোগ বিতরণ বন্ধ হয়ে গেল বর্ধমানের সর্বমঙ্গলা মন্দিরেও। মঙ্গলবারই এ বিষয়ে নোটিস দেওয়া হল। বলা হয়েছে ১৮ মার্চ থেকে অর্নিদিষ্টকালের জন্য সর্বমঙ্গলা মন্দিরে ভোগ বিতরণ, ভোগ খাওয়া ও ভোগ রান্না বন্ধ রাখা হচ্ছে। শুধু দেবীকে উৎসর্গ করার জন্য প্রতিদিনের ভোগ রান্না করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ।
ট্রাস্ট বোর্ডের সম্পাদক সঞ্জয় ঘোষ বলেন, “কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের নির্দেশ মেনে ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রতিদিন মায়ের যে ভোগ রান্না হয় শুধু সেটাই চালু থাকবে। মন্দিরে পুজো দেওয়ার ক্ষেত্রেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি। তবে মন্দির চত্বরে যাতে কোনভাবেই ভিড় না হয়, পুরোহিত ও কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীদের তা খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে।

দামোদর নদের ধারে বাহির সর্বমঙ্গলা অঞ্চলে বসবাস করা চুনুরিদের কাছ থেকে পাওয়া কষ্টিপাথরের অষ্টাদশভুজা এই দেবী মূর্তি বর্ধমান শহরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী। ১৭৪০ সালে বর্ধমানের মহারাজ কীর্তিচাঁদ সর্বমঙ্গলা মূর্তি প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীতে মন্দির নির্মাণ করেন মহতাব চাঁদ। এত বছরের ইতিহাসে এই ঐতিহ্যশালী মন্দিরের ভোগ রান্না বা বিতরণ কোনদিনই বন্ধ হয়নি বলে জানালেন সঞ্জয়বাবু। কিন্তু বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে তাঁরা কোনও ঝুঁকি নিতে চান না বলেই ভোগ ঘরের রান্না বন্ধ হল সর্বমঙ্গলা মন্দিরে।
সোমবারই বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কামারপুকুর মঠ ও মিশন কর্তৃপক্ষ জানান করোনা আশঙ্কায় ভোগ বিতরণ বন্ধ রাখা হচ্ছে সেখানেও। এমন কী ভিড় এড়াতে মন্দিরে সন্ধ্যা আরতি দেখার বন্দোবস্তও আপাতত স্থগিত করা হয়েছে।