
শেষ আপডেট: 23 September 2020 05:37
পশুপ্রেমীদের অনেকেরই আশঙ্কা, লকডাউনের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে চিতা শাবকটিকে বিক্রি করে দেওয়া হতে পারে। পাশাপাশি অভয়ারণ্যের পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। এর আগে এই অভযারণ্যে বাঘ, হরিণ, ময়ূর ও অন্যান্য বেশ কিছু পশুপাখির মৃত্যু হয়েছে। এখানকার যা পরিবেশ, তা মোটেই বন্যপ্রাণীদের রাখার উপযুক্ত নয় বলে দাবি পশুপ্রেমীদের। একই সঙ্গে এই অভয়ারণ্যের কর্মীদের বন্যপ্রাণীদের দেখভালের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ রয়েছে কি না তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা।
গত ১১ সেপ্টেম্বর রমনাবাগান অভয়ারণ্যে একটি শাবকের জন্ম দেয় এখানকার আবাসিক চিতাবাঘ কালী। শনিবার খাঁচা পরিদর্শনে গিয়ে চিতাশাবকটিকে দেখতে পাননি বনকর্মীরা। এরপরেই শুরু হয় তুমুল হইচই। এই অভয়ারণ্যের পাশাপাশি চাঞ্চল্য ছড়ায় বন দফতরেও। আঞ্চলিক বনাধিকারিক দেবাশিস শর্মা বলেন, ‘‘চিতাবাঘ কালীর মল পরীক্ষা করে কিছু সরু হাড় ও লোম পাওয়া গিয়েছে। এর থেকেই অনুমান চিতাবাঘটি তার শাবককে খেয়ে ফেলেছে। উদ্ধার হওয়া হাড় ও লোম ডিএনএ পরীক্ষা করার জন্য পাঠানো হচ্ছে।’’
গোলাপবাগের বাসিন্দা পশুপ্রেমী অভিজিৎ মণ্ডল বলেন, ‘‘অভয়ারণ্যে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। চিতাবাঘ ও তার শাবকের উপর এই সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে কেন নজরদারি চালানো হল না? মা চিতা সাধারণত বাচ্চাকে খায় না। বাচ্চাকে রাখতে না চাইলে ছেড়ে চলে যায়। তাই, বন দফতরের বক্তব্য মোটেই বিশ্বাসযোগ্য নয়।’’ এ ব্যাপারে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।