দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: ড্রেসিং করতে গিয়ে জানা গেল দেহের ভেতর আটকে রয়েছে বুলেট। বুলেট বের করতে হাসপাতালে ভর্তি করা হল বিজেপির যুব নেতাকে। আরও এক বুলেট বিদ্ধ বিজেপি নেতার হদিস মিলতেই উত্তরকন্যা অভিযানে পুলিশের গুলি চালানো নিয়ে ফের রহস্য দানা বাঁধল।
হলদিবাড়িতে থাকেন অমরদীপ রায় ওরফে রাহুল। বিজেপি যুব মোর্চার হলদিবাড়ি টাউন মণ্ডলের সভাপতি তিনি। সোমবার উত্তরকন্যা ঘেরাও কর্মসূচি সফল করতে যুব মোর্চার সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি উপস্থিত হয়েছিলেন ফুলবাড়ি এলাকায়। ফুলবাড়ি থেকে একে একে ব্যারিকেড ভেঙে উত্তরকন্যার দিকে এগোচ্ছিল যুব মোর্চার মিছিল। সেই মিছিলে তিনিও ছিলেন। এরপর শুরু হয় পুলিশের সাথে খণ্ডযুদ্ধ। শুরু হয় টিয়ার গ্যাসের শেল ফাটানো। তাতেও বিজেপি কর্মীদের দমানো যায়নি। তাই পুলিশ লাঠিচার্জ জলকামান ও গুলি ছোড়ে বলে বিজেপির অভিযোগ।
অমরদীপ বলেন, ‘‘আমরা এগোতেই পুলিশ ছুটে আসল। আমি প্রতিবাদ করতেই পুলিশ রবার বুলেট চালায়। বুলেট বিদ্ধ হয়ে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে ভর্তি হই। এরপর আমাকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সেখান থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর আজ আমি হলদিবাড়ি হাসপাতালে ডেসিং করাতে যাই। সেখান থেকে আমাকে এক্স রে করতে বললে আমি এক্স রে করাই। তখন সেই রিপোর্টে দেখা যায় আমার হাতে ও বুকে বুলেট আটকে আছে।’’ এরপরেই রাতে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তাঁকে। সেখানে ডাক্তাররা তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করে নেন।
জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের চিকিৎসক ডাক্তার সৌমেন মণ্ডল বলেন, ‘‘অমরদীপ রায়কে জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করে নেওয়া হয়েছে। তার দেহে ছররা গুলি রয়েছে বলে এক্স রে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে। তা দেহের কতটা ভেতরে আছে তা জানাতে সি আর্ম মেশিনের সাহায্য নিতে অর্থোপেডিক্সে রেফার করা হয়েছে।’’