
শেষ আপডেট: 8 June 2022 10:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবারই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের বেঞ্চ জানিয়েছিল, অঙ্কের শিক্ষক সিদ্দিকি গাজির চাকরি অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। অভিযোগ ছিল টপকে এসে চাকরি পেয়েছিলেন তিনি। তাই তাঁর চাকরি বাতিলের নির্দেশ দেয় আদালত। বুধবারের শুনানিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, সিদ্দিকি গাজিকে আগেই চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছিল (SSC)! যা শুনে রীতিমতো বিস্ময় প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি রাজশেখর মান্থার। তাঁর প্রশ্ন, যদি এমন সিদ্ধান্ত রাজ্য আগেই নিয়ে থাকে তবে তা আদালতে জানানো হয়নি কেন?
প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে স্টেট লেভেল সিলেকশন (SLST) নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক চাকরিপ্রার্থী অনুপ গুপ্ত। তাঁর অভিযোগ ছিল, মেধা তালিকায় তাঁর স্থান আগে থাকলেও তাঁকে টপকে সিদ্দিকি গাজিকে চাকরি দেওয়া হয়েছিল। সোমবার প্রধান বিচারপতি রাজশেখর মান্থারের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামালার শুনানি শুরু হয়। সেই শুনানিতেই গাজিকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
মুকুল রায় কোন দলে? চূড়ান্ত রায় দিলেন বিধানসভার স্পিকার
বুধবার সেই মামলার শুনানি চলাকালীন রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, সিদ্দিকি গাজিকে আগেই বরখাস্ত করা হয়েছিল। যা শুনে প্রধান বিচারপতি বলেন, যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে কেন আদালতে জানানো হয়নি? কেন মামলকারীর কাছে সেই তথ্য নেই?
এদিন শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ রাজ্যকে গাজির নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি মামলাকারী অনুপ গুপ্তের চাকরির বিষয়টিও বিবেচনা করার নির্দেশ দেয়। ফলে ফের এসএসসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেল।
স্কুল সার্ভিসের সমস্ত মামলা বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে বিচারপতি রাজশেখর মান্থার এজলাসে সরানো হয়েছে। সেই এজলাসেই চলছে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি সংক্রান্ত যাবতীয় মামলার শুনানি। এদিনের শুনানিতে এসএসসির ভূমিকার সমালোচনা করার পাশাপাশি আদালত আরও জানায়, ২০১৬ সালের নবম-দশমের নম্বরের ব্রেক আপ প্রকাশ করা নিয়ে আগে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল তা কার্যকর করতে হবে।
ক্যানসার সারছে ৬ মাসেই, তোলপাড় ফেলে দেওয়া সেই ওষুধের একটি ডোজের দাম কত?