
শেষ আপডেট: 6 November 2023 21:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো, জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ির রাস্তায় গাড়ি বাইক নিয়ে বেরতেই ভয় পাচ্ছেন মালিকরা। খামোখাই তাঁদের দিতে হচ্ছে মোটা টাকা ফাইন। কিন্তু কেন? গাড়ির মালিকরা বলছে তাঁরা পলিউশন চেকিং করা গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিটনেস পরীক্ষা হচ্ছে না। কর্তৃপক্ষের সফটওয়ার বিভ্রাট চলছে। ফলে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন তাঁরা।
রাজ্য পরিবহণ দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, গাড়ির ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্রগুলি এতদিন যে সফটওয়ার ব্যবহার করত পয়লা নভেম্বর থেকে তাতে আপগ্রেডেশনের কাজ চলছে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া সেই সফটওয়ার ঠিকভাবে ইনস্টল করতে না পেরেই ফাঁপরে পড়েছেন ধোঁয়া পরীক্ষা কেন্দ্রের মালিকেরা। ফলে জলপাইগুলি জেলার প্রায় সমস্ত পরীক্ষা কেন্দ্র বন্ধ রেখেছেন তাঁরা। বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি জেলার মোটর ভেইকেল দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু সুরাহা হয়নি।
আইন অনুযায়ী, একটি গাড়ি কিংবা বাইক পরিবেশকে কতটা দূষিত করছে, তার জন্য বছরে একবার করে গাড়ির পলিউশন পরীক্ষা করিয়ে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হয় মালিকদের। মেয়াদ উত্তীর্ণ পলিউশন সার্টিফিকেট নিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লে মোটা অঙ্কের জরিমানা দিতে হয় তাঁদের। এবার পহেলা নভেম্বর থেকে যে গাড়িগুলির ফিটনেস সার্টিফিকেট মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যাচ্ছে, সেগুলি চেকিং না হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন মালিকরা।
জলপাইগুড়ি ডিস্ট্রিক্ট অটো এমিশন টেস্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের কনভেনার শান্তনু বোস বলেন, নতুন সফটওয়ার ঠিকভাবে কাজ না করায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাঁদের। জেলায় প্রায় ১২৫ টি সরকার অনুমোদিত সেন্টার রয়েছে। যাঁরা কেউই নতুন সফটওয়ার চালাতে পারছেন না। পরিষেবা না পেয়ে রাস্তায় পুলিশের হয়রানির মুখে পড়ছেন অনেকেই।
জলপাইগুড়ি জেলার আরটিও নবীন অধিকারীর বলেন, বিষয়টি তিনি জানেন। নতুন সফটওয়ার ইনস্টল করতে গিয়ে অনেকেই গন্ডগোল করে ফেলেছে। সমস্যা সমাধানের জন্য তাঁদের ফের দফতরে ডাকা হয়েছে। দ্রুত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।