
শেষ আপডেট: 13 June 2020 10:43
কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মুন্না।[/caption]
ইসলামপুর শহরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের রামকৃষ্ণপল্লি এলাকায় একটি বাড়িতে স্ত্রী ও শিশুকন্যাকে নিয়ে ভাড়া থাকেন মুন্না হাজরা। ইসলামপুর নিয়ন্ত্রিত বাজার এলাকায় তিনি একটি চায়ের দোকান চালান। প্রতিদিনের মতো শনিবারও সকালে ঘুম থেকে উঠে চায়ের দোকান খুলতে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান মুন্না। দোকান খুলে বাড়ির কাজকর্ম করতে ও মেয়ের দেখভাল করতে বাড়িতে আসেন মুন্না। তার আগেই দোকানে পৌঁছে যান ভারতী। তবে এদিন ভারতী দোকানে না যাওয়ায় চিন্তা হচ্ছিল তাঁর।
বাড়িতে এসে তিনি দেখেন ঘরের মধ্যে রক্তাক্ত অবস্থায় স্ত্রী ও মেয়ে পড়ে রয়েছে। খবর চাউর হতেই ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা৷ আসেন রায়গঞ্জ পুরসভার প্রশাসক কানাইয়ালাল আগরওয়াল। আসে পুলিশ। সবজি কাটার বঁটি দিয়ে মা ও মেয়েকে খুন করা হয়েছে বলে পুলিশের অনুমান।
ঘটনার খবর পেয়েই চলে আসেন ভারতী হাজরার ভাই বরুণ রায়। তিনি বলেন, মাঝেমধ্যেই তাঁর দিদিকে মারধর করতেন মুন্না। তাঁর অভিযোগ, মুন্না তাঁর দিদি ও ভাগ্নীকে খুন করেছে। কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, “পারিবারিক অশান্তির জন্য এই খুন হয়ে থাকতে পারে।”
শচীন মক্কার জানিয়েছেন, “খুনের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসাবে মৃতার স্বামী মুন্না হাজরাকে আটক করা হয়েছে। একজন ডিএসপিকে দিয়ে পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। তবে খুনি কে সেকথা বলার সময় এখনও আসেনি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।”