
শেষ আপডেট: 4 August 2020 08:34
শেখ মুন্নার অভিযোগ, “এই ঘটনায় নেতৃত্ব দেন সিপিএম থেকে দলে আসা মুনির মণ্ডল। এই মুনির মণ্ডল বাম আমলে সিপিএম করতেন এবং এলাকায় বালি ও কয়লার অবৈধ কাজ কারবার করতেন। এখন তৃণমূলে এসেও একই কাজ করে চলেছেন। এমনকি তিনি এখন এলাকার দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা।” এলাকার আর এক তৃণমূল কর্মী আলাউদ্দিন শেখ অভিযোগ করেন, “এলাকায় যত রকমের অবৈধ কার্যকলাপ সবই মুনির মণ্ডলের নির্দেশে হয়। তৃণমূল দল করেও আজ আমরা আক্রান্ত লাল তৃণমূলের কাছে।”
অভিযুক্ত মুনির মণ্ডলের সঙ্গে এই বিষয়ে ফোনে কথা বলা হলে তিনি সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে সেটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কারণ বর্তমানে আমি নিজস্ব কাজে দুর্গাপুরে রয়েছি।” তিনি পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, “যাঁরা আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন তাঁরা নিজেরাই পার্টি অফিস ভাঙচুর করেছেন। এখন আমার মিথ্যা বদনাম করার চেষ্টা করছেন।”
ইসিএল থেকে ‘ডেলিভারি অর্ডার’ নিয়ে গাড়ি কয়লা আনতে যায় নির্দিষ্ট খনিতে। তবে সেই কয়লা কোন শ্রমিক গাড়িতে তুলবেন তা নিয়েই এখানে দ্বন্দ্ব বাধে বলে সূত্রের খবর। অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগে যখন তৃণমূলের অন্দর সরগরম তখন ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ। পরিস্থিতি এখন স্বাভাবিক।
পাণ্ডবেশ্বরে রাজনৈতিক অশান্তি নতুন ব্যাপার নয়। কখনও তৃণমূল কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব আবার কখনও তৃণমূল বনাম বিজেপির লড়াই এখানে লেগেই আছে। এ বছরের গোড়াতেও মকর উৎসব নিয়ে দুই দলের সংঘর্ষ বেধেছিল। তাতে দলের তিন জন কর্মী আহত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেছিল তৃণমূল। বিজেপি পাল্টা অভিযোগ করে বলে, তাদের কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর করেছে তৃণমূলের লোকজন। এবার অবশ্য তৃণমূল বনাম তৃণমূল লড়াই।