কালিয়াগঞ্জ হেরে বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল চরমে, জেলা নেতার নিশানায় দেবশ্রী
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে হারতে হয়েছে বিজেপিকে। যে বিধানসভায় লোকসভা ভোটেও লিড ছিল ৫৬ হাজারের বেশি ভোট, উপভোটে তা কার্যত মুছে গেছে। আর তারপরই হাটের মাঝে বেরিয়ে পড়ল বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। জেলা নেতা শঙ্কর চক্রবর্তী সরাসরি
শেষ আপডেট: 4 December 2019 12:50
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কালিয়াগঞ্জ বিধানসভা উপনির্বাচনে হারতে হয়েছে বিজেপিকে। যে বিধানসভায় লোকসভা ভোটেও লিড ছিল ৫৬ হাজারের বেশি ভোট, উপভোটে তা কার্যত মুছে গেছে। আর তারপরই হাটের মাঝে বেরিয়ে পড়ল বিজেপির গোষ্ঠীকোন্দল। জেলা নেতা শঙ্কর চক্রবর্তী সরাসরি আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশুকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী দেবশ্রী চৌধুরীর বিরুদ্ধে।
শঙ্করবাবু প্রাক্তন জেলা সভাপতি। কিন্তু দাড়িভিট কাণ্ডের সময়ে বিতর্কিত মন্তব্য করায় তাঁকে সভাপতি পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষরা। রাজ্য বিজেপির তরফে মালদা জেলার পর্যবেক্ষক করে দেওয়া হয় তাঁকে। কিন্তু কালিয়াগঞ্জ হারের পর এদিন শঙ্করবাবুর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে হইহই পড়ে গিয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলায়। তিনি লিখেছেন, “শেষপর্যন্ত কালিয়াগঞ্জে হারের আসল আসামী পাওয়া গেল.....আমি..। সৌজন্যে সেন্ট্রাল মিনিস্টার দেবশ্রী চৌধুরী। ফোন করে জানালেন, সকালের ট্রেন বা এনআরসি নয়। নিউজ পেপার রিপোর্টাররা আমার কথায় নিউজ করে..। তাই হেরেছে। যত নিউজ হয়, সব পয়সা দিয়ে আমি করাই। ধন্যবাদ দিদি। এসব ছাড়ুন সকালের ট্রেনটা দিন। তারপর পার্টি থেকে আমার মতো লোককে তাড়িয়ে দিন।”

রায়গঞ্জ থেকে কলকাতা পর্যন্ত একটি ট্রেনের দাবি ওই অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের। এই লোকসভাতেও বিজেপির ভোট প্রচারে অন্যতম প্রতিশ্রুতি ছিল, জিতলে ট্রেন দেওয়া হবে। ভোটের পর কেটে গিয়েছে ছ’মাস। শঙ্করবাবুদের দাবি, এসব প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলেই লোকে বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। যদিও প্রাক্তন জেলা সভাপতি তাঁর ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছেন, দেবশ্রী চৌধুরী নাকি তাঁকে ফোন করে হারের জন্য কাঠগড়ায় তুলেছেন। দেবশ্রী দেবীর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
অনেকেই বলতে শুরু করেছিলেন, কালিয়াগঞ্জ হারের পিছনে অন্যতম কারণ এনআরসি আতঙ্ক। কিন্তু এখন বোঝা যাচ্ছে, দলের ভিতর গোষ্ঠীকোন্দল ছিল এতটাই যে ৫৬ হাজার ভোটে এগিয়ে থাকা আসনেও হেরে যেতে হয়েছে।