লকডাউনে বন্ধ ব্যান্ডেল চার্চ, গুড ফ্রাইডেতে ঘরে বসেই প্রার্থনা
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রত্যেক বছর গুড ফ্রাইডেতে ভিড় উপচে পড়ে ব্যান্ডেল চার্চে। তবে এবছর মূল ফটক বন্ধ করে ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাই ভিড়ের প্রশ্নই ওঠে না। ব্যান্ডেল চার্চ একেবারে শুনশান। করোনা সংক্রমণ রোধে দেশজোড়া লকডাউনের জে
শেষ আপডেট: 10 April 2020 09:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রত্যেক বছর গুড ফ্রাইডেতে ভিড় উপচে পড়ে ব্যান্ডেল চার্চে। তবে এবছর মূল ফটক বন্ধ করে ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়েছে তাই ভিড়ের প্রশ্নই ওঠে না। ব্যান্ডেল চার্চ একেবারে শুনশান। করোনা সংক্রমণ রোধে দেশজোড়া লকডাউনের জেরে চার্চে বন্ধ রাখা হয়েছে সাধারণের প্রার্থনাও।
প্রতি বছরের মতো গত বছরও জমজমাট ছিল চার্চ। সারাদিন ধরে চলেছে প্রার্থনা। চার্চের সামনের দোকানপাট খোলা থাকে সারা বছর। এই সময় ভিড় উপচে পড়ে। এবারের ছবিটা একেবারে অন্যরকম। সব দোকানপাট বন্ধ। খোলা নেই কোনও হোটেল। জনপ্রাণীর দেখা নেই এই এলাকায়। শুধু ব্যান্ডেল চার্চ কেন, খ্রিস্ট ধর্মের সবচেয়ে বড় পীঠস্থান ভ্যাটিকান সিটিও এখন জনমানবহীন। ফাঁকা সেখানের পথঘাটও। চিনের পরে করোনার সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছিল ইতালিতে। এখন তাকে অবশ্য ছাড়িয়ে গেছে আমেরিকা।
যিশু খ্রিস্টকে ক্রুশে বিদ্ধ করার পরে সমাহিত করা হয়েছিল। কথিত আছে তারপরে এই দিনেই তাঁর নাকি পুনর্জন্ম হয়। তাই এই দিনকে গুড ফ্রাইডে হিসাবে পালন করা হয়। গুড ফ্রাইডের আগে চল্লিশ দিন ধরে উপবাস ও প্রার্থনা চলে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ঘরে ঘরে।
ব্যান্ডেল ব্যাসিলিকার ফাদার ফ্রান্সিস শুক্রবার বলেন, “লকডাউনের জন্য কাউকেই চার্চে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। প্রতিবছর এই পবিত্র দিনে সকাল থেকে শুরু হয় প্রার্থনা। বিকেল তিনটেয় যিশু খ্রিস্টকে স্মরণ করা হয়। সারা দিন ধরে চলে প্রার্থনা। আজ পাঁচজন ফাদার মিলে সেই বিশেষ প্রার্থনা করবেন প্রেয়ার হলে। বাড়িতে থেকেই খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রভু যীশুর জন্য এবং বিশ্ববাসীকে এই মহামারী থেকে নিষ্কৃতি দিতে প্রার্থনা করতে বলা হয়েছে।

ব্যান্ডেলের এই চার্চ তৈরি করেছিল পর্তুগিজরা। প্রথমে যে চার্চটি ছিল সেটি অবশ্য এখন আর নেই। পরে নতুন করে একই জায়গায় চার্চটি তৈরি করা হয়। এটি ব্যান্ডেলে পর্তুগিজ স্থাপত্যের নিদর্শনও বটে।